advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

বলির পাঁঠা হয়েছি : সামিয়া রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
১ মার্চ ২০২১ ১৬:৩৩ | আপডেট: ২ মার্চ ২০২১ ০০:৩৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের  শিক্ষক সামিয়া রহমান। ছবি : সংগৃহীত
advertisement

গবেষণায় চৌর্যবৃত্তির অভিযোগে পদাবনতি দেওয়ার ঘটনাকে ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমান। তিনি দাবি করেন, তাকে অন্যায়ভাবে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

সামিয়া রহমান বলেন, ‘বলির পাঁঠা হয়েছি আমি। ট্রাইব্যুনাল নিজে বলেছে, ন্যায়বিচার হয়নি। তারা এমন সুপারিশ করেনি। সামিয়া ন্যায়বিচার পায়নি। গবেষণায় নকলের অভিযোগে পদাবনতি ষড়যন্ত্রমূলক। ক্ষমতার বলে যে-যার মতো তথ্য দিচ্ছে। এগুলো মিথ্যা, বানোয়াট, সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা।’

এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এই শিক্ষককে সহযোগী অধ্যাপক থেকে এক ধাপ নামিয়ে সহকারী অধ্যাপক করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট। গবেষণায় চৌর্যবৃত্তির শাস্তি হিসেবে এই সিদ্ধান্ত বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।

সামিয়া রহমান বলেন, ‘এ ঘটনার জন্য জার্নালের রিভিউয়ার ও বোর্ডের শাস্তির সুপারিশ ছিল। তাদের শাস্তি হয় না, কারণ তারা প্রতিষ্ঠিত বলে বিশ্ববিদ্যালয় তা সুকৌশলে এড়িয়ে যায়।’

তিনি বলেন, ‘প্রতিহিংসা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রাজনীতির নোংরামির চরম শিকার হলাম আমি। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজীবী বলেছেন, এটা চৌর্যবৃত্তি না। লেখকদের সতর্ক করে দেওয়া হোক। ট্রাইব্যুানল বলছে, এটা মেথোটিক্যাল এরর। তাহলে সিন্ডিকেট কার সুপারিশে এমন সিদ্ধান্ত নিলো।’

সামিয়া রহমান বলেন, ‘গত চার বছর ধরে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনে আসছেন। আমার পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাননি। এর ব্যাখ্যা আছে। যেখান থেকে এই চিঠি এসেছে, সেই মার্টিনা বলে কেউ নেই। শিকাগো জার্নাল এই চিঠিটি পাঠায়নি বলে তারাই স্বীকার করেছে।’

সামিয়া বলেন, ‘এই মেইলের কোনো অস্তিত্ব নেই। এমনকি ট্রাইব্যুনালের জানিয়েছে এই চিঠিটি সন্দেহজনক। এটার সাথে আমি জড়িতই ছিলাম না। একটা মিথ্যা চিঠির ওপর ভিত্তি করে তদন্ত হলে, শাস্তি দেওয়া হলে আপনারাই বলুন এটা কি ষড়যন্ত্রমূলক নয়। সে কী অন্যায় নয়?’

তিনি বলেন, ‘আমি চার বছর ধরে কেন কথা বলিনি! আমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হুমকি ধামকির মধ্যে ছিলাম। আমাকে চাকরিচ্যুতির হুমকি দেওয়া হয়েছে, বলা হয়েছে আমাকে চাকরি ছাড়তে। আমি যেন চাকরি ছেড়ে চলে যাই।’

সামিয়া আরও বলেন, ‘আমি প্রমাণ করব, আমি অন্যায় করিনি। যে চিঠি আমি লিখিনি, আমি জমা দিইনি। সে লেখাটি আমি কেন আমার বলে দাবি করব। গবেষণার আইডিয়া করা, আর গবেষণা করা এক বিষয় নয়। তদন্ত কমিটি দীর্ঘ চার বছর ধরে বিষেদগার করেছে, তারাও প্রমাণ দিতে পারেনি।’

advertisement