advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

অপহরণ করে কিশোরীকে ‘গণধর্ষণ’, গ্রেপ্তার ৪

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
১ মার্চ ২০২১ ১৭:৩৭ | আপডেট: ১ মার্চ ২০২১ ১৮:০৩
ধর্ষণের দায়ে গ্রেপ্তার বাবু, সোহেল, রহমান ও রমজান
advertisement

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা থেকে অপহরণ করে এক কিশোরীকে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আজ সোমবার ভোরে উপজেলার জামালপুর ও রাণীশংকৈল থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের উত্তর মহেষপুর গ্রামের বাবুল ওরফে বাবু (১৯), একই গ্রামের মোহাম্মদ সোহেল (২০), জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার নুনতোর গ্রামের রহমান (১৯) ও মোহাম্মদপুরের ঝাড়বাড়ি রমজান (১৯)।

এর আগে ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে ছয়জনকে আসামি করে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার বরাত দিয়ে ওসি তানভিরুল ইসলাম বলেন, একমাস আগে গ্রেপ্তার বাবুল ওরফে বাবুর সঙ্গে ১৭ বছর বয়সী ওই কিশোরীর পরিচয় হয়। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ওই কিশোরী তার ছোট বোনসহ বাবুর সঙ্গে কাশিয়াডাঙ্গী বাজারে দেখা করতে যায়। সেখানে বাবু ভুক্তভোগীর ছোট বোনকে একটি বাড়িতে আটকে রাখে। পরে ভুক্তভোগীকে অপহরণ করে বাজারের পাশে একটি আম বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে ওঁৎ পেতে ছিলেন সোহেল, রহমান ও রমজান। তারা ওই কিশোরীকে দলবেঁধে ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগী জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে ফেলে রেখে আসামিরা পালিয়ে যান।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে যে বাড়িতে ভুক্তভোগীর বোনকে আটকে রাখা হয়েছিল, সেখান থেকে সে পালিয়ে আম বাগানের দিকে যায়। সেখানে তার অচেতন বোনকে খুঁজে পায় সে। জ্ঞন ফিরলে দুই বোন বাড়ির দিকে যেতে থাকে। কিন্তু পথ হারিয়ে ফেলে রাণীশংকৈল উপজেলার মহারাজা বাজারের দিকে চলে আসে তারা।

এদিকে, পরিবারের লোকজন তাদের খোঁজাখুজির পর দুই বোনকে মহারাজা বাজার এলাকায় পায়। সেখান থেকে তাদের বাড়ি নিয়ে আসার পর পুরো ঘটনা জেনে থানায় মামলা দায়ের করে ভুক্তভোগীর পরিবার।

ওসি তানভিরুল ইসলাম আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার চারজন তাদের অপরাধ স্বীকার করেছে। আজ সোমবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাদের ঠাকুরগাঁও জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি দুই আসামির ভূমিকা সম্পর্কে এখনো জানা যায়নি। তাদেরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

advertisement