advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

মামলার নথি গায়েব
পেশকার সামছুদ্দিন ও সেরেস্তা সহকারী সেলিম ২ দিনের রিমান্ডে 

আদালত প্রতিবেদক
২ মার্চ ২০২১ ১৯:৫৫ | আপডেট: ২ মার্চ ২০২১ ২০:১৩
প্রতীকী ছবি
advertisement

রাজধানীর ওয়ারি থানার ৩০৮ বোতল ফেনসিডিলের একটি মামলার নথি গায়েবের অভিযোগে ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী (পেশকার) মো. সামছুদ্দিন ও সেরেস্তার সহকারী মো. সেলিম উদ্দিনের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। পাঁচ দিন করে রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম বাকী বিল্লাহ এ রিমান্ডের আদেশ দেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, বিগত ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারকের নির্দেশ মোতাবেক বিচারাধীন বিশেষ দায়র মামলার নথি মহানগর দায়রা জজ আদালতে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেন। ফেরত পাঠানোর আদেশ হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে বিশেষ দায়রা মামলা নম্বর-২৫/২০১৩ না পাওয়া যায় নাই। এরপর থেকে নথি না পাওয়ায় প্রথমে বিষয়টি ওই ট্রাইব্যুনালের জারীকারক মো. কবির হোসেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা অখন্দ মো. সিকেন্দারকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে ওই ট্রাইব্যুনালে বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানকে বিষয়টি অবহিত করলে বিচারক গত ১১ ফেব্রুয়ারি পেশকার মো. সামছুদ্দিন ও সেরেস্তা সহকারী সেলিমেকে নথি খুজে বের করার নির্দেশ দেন। কিন্তু এরপরও নথি তারা খুজে বের করতে না পারায় বিচারক তাদের গত ১৬ ফেব্রুয়ারি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন।

এরপরও আসামিরা নথি না পাওয়ার বিষয়ে কোনো সন্তোষনক জবাব না দেওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে গত সোমবার বিচারক মামলা করার সিদ্ধান্ত দেন। সে অনুযায়ী সোমবার জারীকারক কবির হোসেন রাজধানীর কোতয়ালী থানায় একটি মামলা করেন। মামলার পরই পেশকার মো. সামছুদ্দিন ও সেরেস্তা সহকারী সেলিমেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 

মামলায় বলা হয়, মামলা নথি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে কর্মরত পেশকার মো. সামসুদ্দিন ও সেরেস্তা সহকারী সেলিমের ওপর ছিল। তারা সরকারি কর্মচারী হয়েও অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ করেছেন।

এ বিষয়ে ওই ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর আবু আব্দুল্লাহ ভুইয়া জানান, মামলাটি রাজধানীর ওয়ারি থানার ৩০৮ বোতল ফেনসিডিলের মামলা ছিল। মামলায় আসামি ছিল চারজন। তিনি বলেন, ‘৪০৮ বোতল ফেনসিডিলের মামলার সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। এ ধরনের মামলা নথি হারিয়ে যেতে পারে না। আশা করছি রিমান্ডে সঠিক তথ্য বের হয়ে আসবে।’

advertisement