advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

প্রফেসর ডা. মো. আবু সালেহ আলমগীর
ব্যাক পেইনের কারণ এবং চিকিৎসা

৩ মার্চ ২০২১ ০০:০০
আপডেট: ২ মার্চ ২০২১ ২২:০৫
advertisement

মানবদেহের বডি ট্রাঙ্কের পেছনের অংশ অর্থাৎ ঘাড়, পিঠ, কোমর, নিতম্ব ও লেজের অংশের নাম ব্যাক। ব্যাকে কোনো পেইন বা ব্যথা হলে তাকে বলে ব্যাক পেইন। ব্যাক পেইন বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন- আপার ব্যাক পেইন বা ঘাড়ব্যথা, মিডেল ব্যাক পেইন বা পিঠব্যথা, লোয়ার ব্যাক পেইন বা কোমরব্যথা, বাটক পেইন বা পাছার অংশে ব্যথা, টেইল বোন পেইন বা লেজের অংশের ব্যথা।

ব্যথার কারণ : পোশ্চারাল বা পজিশনগত, ডিজফাংশনাল বা কার্যক্ষমতা-জনিত, ডি-অ্যারেঞ্জমেন্টাল বা স্থানচ্যুতিজনিত, ট্রমাটিক বা আঘাতজনিত, ডিজিজ কন্ডিশন বা রোগজনিত।

যাদের হয় : শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ- যে কেউ এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তবে পুরুষের আক্রান্ত হওয়ার হার নারীর তুলনায় বেশি।

যে চিকিৎসককে দেখাবেন : এ ক্ষেত্রে ব্যাক-পেইন বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপি কনসালট্যান্টের তত্ত্বাবধানে আপনার ব্যাক পেইনের চিকিৎসা করে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করুন। মনে রাখবেন, ব্যাক পেইনের ৯০-৯৫ শতাংশ রোগীর অপারেশন লাগে না।

ব্যাক পেইন প্রতিরোধে করণীয় : নিচু হয়ে কোনো বস্তু তুলতে সোজা হয়ে নিচে বসে, দুই হাতে বস্তুটি ধরে সোজা হয়ে উঠে দাঁড়াবেন।

বিছানায় শোয়া থেকে ওঠার সময় যে কোনো একপাশে কাত হয়ে, এক হাতের কনুই ও অপর হাতের তালুতে চাপ দিয়ে শোয়া হতে উঠে বসবেন। মেরুদ-, ঘাড় ও কোমর বাঁকা করে বা সামনে ঝুঁকে বা নিচু হয়ে বেশিক্ষণ কাজ করবেন না বা থাকবেন না। ফোম, নরম বিছানা, হার্ড বোর্ড বা কাঠের তক্তা, ফ্লোর, মেঝে বা মাটিতে শোবেন না। এতে ব্যথা বেড়ে যেতে পারে। উপুড় হয়ে না শুয়ে চিত হয়ে শোবেন। শুয়ে বেশিক্ষণ টিভি দেখবেন না। কেননা এতে ব্যথা বেড়ে যেতে পারে। দাঁড়িয়ে রান্না করুন। দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে এক পা মেঝেতে ও অন্য পা পিঁড়িতে রাখুন। পিঁড়ি বা মোড়ায় বসা পরিহার করুন। বসার ক্ষেত্রে পিঠে সাপোর্ট দিয়ে সোজা হয়ে বসুন। ঝরনার নিচে দাঁড়িয়ে বা সোজা হয়ে বসে গোসল করুন। মগ দিয়ে পানি তুলে সামনে পেছনে ঝুঁকে গোসল করবেন না। ঝুঁকিপুর্ণ যানবাহন বা ভাঙা রাস্তায় গাড়িতে না চড়ে, পায়ে হেঁটে পথ চলুন বা ভাঙা রাস্তায় ধীরগতিতে চালাবেন বা চড়বেন। হাই হিলযুক্ত জুতা পরবেন না। শক্ত জুতা পরবেন না। নরম বা স্বাভাবিক জুতা পরিধান করুন। খালি পায়ে হাঁটবেন না।

লেখক : অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান

ডিজ-অ্যাবিলিটি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ

দি ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লা

চেম্বার : বাংলাদেশ পেইন, ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার, ঢাকা বিজ্ঞান কলেজ, মালিবাগ মোড়, ঢাকা

০১৭৬৮৬৫৬৮৫৯

advertisement