advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টার স্বাক্ষর জালকারীর বিচার শুরু

আদালত প্রতিবেদক
৩ মার্চ ২০২১ ১৮:১২ | আপডেট: ৩ মার্চ ২০২১ ১৮:৫৩
প্রতীকী ছবি
advertisement

উত্তরা ব্যাংকের দুই কোটি ৫ লাখ টাকার ঋণ মওকুফ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমানের স্বাক্ষর জালকারী কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম রেনুর বিচার চলছে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে। আজ বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর আদালতে এ মামলা সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল।

এদিন মামলাটিতে উত্তরা ব্যাংকের সাবেক এমডি আব্দুল মতিন এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অর্থ উপদেষ্টা শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা লিয়াকত আলী সাক্ষ্য প্রদান করেন। সাক্ষ্য গ্রহণকালে জামিনে থাকা আসামি চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম রেনু আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত বুধবার এ সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের পর বিচারক আগামী ১৫ মার্চ পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ঠিন করেছেন। ওই আদালতে স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর আজাদ রহমান জানান, এর আগে মামলাটিতে বাদী ও তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ আরও চারজনের সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড মেসার্স এলিট আয়রন অ্যান্ড স্টিল জিপি সিট লিমিডেট কাছে ঋণের ২ কোটি ৫ লাখ টাকা পাওনা হন। আসামি রেন ওই ঋণ মওকুফ করে দেওয়ার কথা বলে কোম্পানিটির কাছ থেকে ৩৫ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। এরপর তিনি প্রধানমন্ত্রীর অর্থউপদেষ্টা ড. মশিউর রহমানের বরাতে তার জাল স্বাক্ষরে ঋণ মওকুফের ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে উত্তরা ব্যাংকের এমডি বরাবর একটি চিঠি ইস্যু করেন। চিঠিতে ড. মশিউর রহমানের স্থলে ডা. মশিউর রহমান লিখায় উত্তরা ব্যাংকের এমডির সহন্দেহ হয়। তাই চিঠিটি যাচাইয়ের জন্য তারা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পাঠায়। সেখানে প্রশানিত হয় ওই চিঠি ড. মশিউর রহমান ইস্যু করেন নাই। ওই ঘটনায় সহকারী পুলিশ সুপার ফজলুল করিম ২০১২ সালের ২৬ এপ্রিল বংশাল থানায় একটি মামলা করেন।

মামলায় একই কর্মকর্তা ২০১৩ সালের ৬ অক্টোবর চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম রেনুসহ ছয়জন অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটের অপর আসামিরা হলেন—মেসার্স এলিট আয়রন অ্যান্ড স্টিল জিপি সিট লিমিডেট পরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন, চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন, ম্যানেজিং ডিরেক্টর তোফাজ্জল হোসেন, পরিচালক আমজাদ হোসেন ও মনোয়ার হোসেন। মামলায় ২০১৫ সালের ১১ জুন মামলাটিতে চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম রেনু বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন এবং অপর আসামিদের অব্যাহতি দেন।

advertisement