advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

নারীকে পিস্তল ঠেকিয়ে টাকা লুট, তদন্ত কমিটির মুখোমুখি ৩ পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক,কক্সবাজার
৩ মার্চ ২০২১ ১৯:২৪ | আপডেট: ৩ মার্চ ২০২১ ২২:০৩
রিমান্ডে থাকা তিন পুলিশ সদস্য উপপরিদর্শক (এসআই) নুর হুদা ছিদ্দিকী, কনস্টেবল আমিনুল মমিন ও মামুন মোল্লাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়
advertisement

কক্সবাজার শহরের সমিতিপাড়া এলাকায় বাড়িতে ঢুকে এক নারীকে পিস্তল ঠেকিয়ে ৩ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে তিন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেছে এক ব্যবসায়ীর স্ত্রী। এ ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে পুলিশ হেড কোয়াটার্স।

আজ বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার সাইদুর রহমানের নেতৃত্ব এ কমিটি কক্সবাজার মডেল থানায় আসে। সেখানে রিমান্ডে থাকা তিন পুলিশ সদস্য উপপরিদর্শক (এসআই) নুর হুদা ছিদ্দিকী, কনস্টেবল আমিনুল মমিন ও মামুন মোল্লাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। একইসঙ্গে ভুক্তভোগী রোজিনা খাতুন ও কয়েকজন সাক্ষীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে।

এদিকে, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান ভুক্তভোগী নারী রোজিনা খাতুন। তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

গত সোমবার বিকেলে কক্সবাজার শহরের মধ্যম কুতুবদিয়া পাড়ার বাসিন্দা ব্যবসায়ী রোজিনা খাতুন এই ছিনতাইয়ের শিকার হন। তিনি ব্যবসায়ী রিয়াজ আহমদের স্ত্রী। এ সময় স্থানীয়দের সহযোগিতায় এক এসআইসহ তিন পুলিশ সদস্যকে আটক করা হয়। পরে ওই দিন রাতেই রোজিনা খাতুন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘ঘটনার পর মামলা হয়েছে। উচ্চ মহলে কথা বলে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। তারা অভিযুক্ত এবং ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে কথা বলছেন।’

মামলার সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে রোজিনা খাতুন গ্যাসের দোকান করার জন্য তার আত্মীয়-স্বজন থেকে তিন লাখ টাকা সংগ্রহ করে বাড়ি ফেরেন। সিএনজিচালিত অটোরিকশায় পাঁচ-ছয়জন সাদা পোশাকধারী লোক তার বাড়িতে যায়। পরে তাকে ইয়াবা ব্যবসায়ী আখ্যা দিয়ে টাকা দাবি করে।  রোজিনা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে বেধড়ক মারধর করে সাদা পোশাক পড়া লোকজন।

একপর্যায়ে রোজিনা তার কাছে থাকা তিন লাখ টাকা সাদা পোশাকধারী পুলিশের হাতে তুলে দেন।  এসময় রোজিনার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে  আসেন। এসময় অটোরিকশা থেকে একজনকে ধরে ফেলেন স্থানীয়রা।

পরে পুলিশের হটলাইন ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশকে বিষয়টি অবগত করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আটক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।

advertisement