advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

তরল কোকেন আমদানি
আদালতে সাক্ষ্য দিলেন আসামির দুই প্রতিবেশী

চট্টগ্রাম ব্যুরো
৪ মার্চ ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ৪ মার্চ ২০২১ ০২:২৬
advertisement

আলোচিত তরল কোকেন আমদানির ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় আরও তিনজন সাক্ষ্য দিয়েছেন আদালতে। গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালতে বন্দরের নিরাপত্তা বিভাগের সে সময়ের কর্মকর্তা লে. কমান্ডার নেজাম উদ্দিন, মো. মহিউদ্দিন ও মো. মাহবুবুর রহমান সাক্ষ্য দেন। মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘রাষ্ট্রপক্ষে তিনজন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ১৪ মার্চ পরবর্তী সাক্ষ্যের দিন ধার্য করেছেন আদালত।’

এদের মধ্যে লে. কমান্ডার নেজাম উদ্দিনের উপস্থিতিতে কন্টেইনার ও ড্রাম খুলে আলামত সংগ্রহ এবং পরে সিলগালা করা হয়। অন্য দুই সাক্ষী আসামি মো. গোলাম মোস্তফা সোহেলের প্রতিবেশী। তাদের সামনে সোহেলের বাসা থেকে জব্দ করা হয় বিল অফ লেডিংয়ের ছয় পাতা ও একটা সার্টিফিকেট।

প্রায় ২১ মাস পর ২৩ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় ফের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। সেদিন জব্দ তালিকার তিনজন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে সবশেষ চারজনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছিল। করোনা ভাইরাস মহামারীর কারণে আর সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি বলে জানান পিপি ফখরুদ্দিন চৌধুরী। এ পর্যন্ত মোট ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হলো।

তরল কোকেন আমদানির ঘটনায় ২০১৯ সালের ২৯ এপ্রিল করা মামলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এর পর ওই বছরের ১৯ থেকে ২২ মে পর্যন্ত সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছিল। আলোচিত এ মামলার আসামিরা হলেন- চট্টগ্রামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খান জাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ, যুক্তরাজ্য প্রবাসী ফজলুর রহমান ও বকুল মিয়া, নূর মোহাম্মদের ভাই মোস্তাক আহম্মদ, খান জাহান আলী লিমিটেডের

কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা সোহেল, মোস্তফা কামাল, আইটি বিশেষজ্ঞ মেহেদী আলম, গার্মেন্ট পণ্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মন্ডল গ্রুপের বাণিজ্যিক নির্বাহী আতিকুর রহমান, কসকো বাংলাদেশ শিপিং লাইনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপক (করপোরেট, বিক্রয় ও বিপণন) একেএম আজাদ এবং সিঅ্যান্ডএফ কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম।

এদের মধ্যে নূর মোহাম্মদ জামিনে গিয়ে পলাতক হয়েছেন। তার ভাই মোস্তাক আহম্মদ শুরু থেকেই পলাতক। যুক্তরাজ্য প্রবাসী ফজলুর রহমান এবং বকুল মিয়াকেও পলাতক দেখানো হয়েছে। কারাগারে আছেন গোলাম মোস্তফা সোহেল ও আতিকুর রহমান। বাকি চার আসামি রয়েছেন জামিনে। মামলায় র‌্যাবের সম্পূরক অভিযোগপত্রে এই ১০ জনকেই আসামি করা হয়েছিল। একই ঘটনায় চোরাচালানের অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলাটিও অধিকতর তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ২৯ জুন সম্পূরক অভিযোগপত্র আদালতে জমা পড়ে। তবে সেটিতে এখনো সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়নি।

advertisement