advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

সাংবাদিক ও মাদ্রাসা শিক্ষক নিহতের প্রতিবাদে ২৪ ঘণ্টা হরতাল

কলি হাসান,দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
৭ মার্চ ২০২১ ১৪:০৪ | আপডেট: ৭ মার্চ ২০২১ ১৪:০৪
সাংবাদিক চন্দন ও মাওলানা আবুল কাশেম
advertisement

ময়মনসিংহে তারাকান্দা উপজেলার গাছতলা নামক স্থানে ট্রাক ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে সাংবাদিক বিজন কৃষ্ণ রায় ওরফে চন্দন (৫৪) ও মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা আবুল কাশেম (৩৮) মারা গেছেন। গতকাল শনিবার বিকেল ৫টার দিকে নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ সড়কে এই নিহতের ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনাটি নিয়ে আজ রোববার বেলা ১১টা থেকে চব্বিশ ঘণ্টার হরতাল ডেকেছে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনগণ। অপরদিকে সাংবাদিক চন্দনের মৃত্যুতে তিনদিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দুর্গাপুর প্রেসক্লাব।

নিহত সাংবাদিক বিজন কৃষ্ণ রায় চন্দন নেত্রকোণার দুর্গাপুর পৌর শহরের পদ্মপুকুর পাড় এলাকার স্বর্গীয় বিশ্বেশ্বর রায়ের ছেলে। তিনি দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নিহত মাওলানা আবুল কাশেম পৌরসভার বালিকান্দি গ্রামের মো. নওয়াব আলীর ছেলে। তিনি ফয়জুল উলুম কাচারী মাদ্রাসার নুরারী শিক্ষক ও খরস হাফিজিয়া মাদ্রাসার মোহতামীম ছিলেন। দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া যাত্রী স্বপন মিয়া (৩৫) ময়মনসিংহ হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নিজ বাড়ি ফিরে গেছেন।

নিহতদের স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা যায়, সাংবাদিক চন্দন কৃষ্ণ রায় গতকাল শনিবার সকালে বিভাগীয় প্রেসক্লাবের মিটিং এ যোগদান করতে ময়মনসিংহে গিয়েছিলেন। কাজ শেষে সিএনজি যোগে দুর্গাপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। আর মাওলানা আবুল কাশেম ময়মনসিংহে ধর্মীয় একটি সভায় যোগদান করতে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার শ্যামগঞ্জ-ময়মনসিংহ সড়কের গাছতলা এলাকায় পৌছলে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগামী একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলেই সাংবাদিক বিজন কৃষ্ণ রায় নিহত হন।

ঘটনার দিন রাতেই চন্ডিগর ইউনিয়নের কেরণখলা গ্রামের নিজ শ্মশান ঘাটে চন্দনকে দাহ করা হয়। মুমূর্ষ অবস্থায় মাওলানা আবুল কাশেমকে স্থানীয়রা উদ্ধার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহনুর-এ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে খুবই মর্মাহত হয়েছি। শান্তি শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

advertisement