advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

লাইফ সাপোর্টে অভিনেতা শাহিন আলম

বিনোদন প্রতিবেদক
৮ মার্চ ২০২১ ১৬:০২ | আপডেট: ৮ মার্চ ২০২১ ২৩:৪৫
অভিনেতা শাহিন আলম। পুরোনো ছবি
advertisement

গুরুতর অসুস্থ ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা শাহিন আলম। বর্তমানে তিনি কিডনিজনিত সমস্যা নিয়ে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালের লাইফ সাপোর্টে আছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চিত্রনায়ক ওমর সানী।

দৈনিক আমাদের সময় অনলাইনকে এই চিত্রনায়ক বলেন, ‘শাহিন আলম আমার বন্ধু। একসঙ্গে পথ চলা, অভিনয়েও অসাধারণ। দীর্ঘ সময় ধরে চলচ্চিত্র কাজ করছে না, একদম বাদ দিয়ে দিয়েছে। কিছুদিন আগে কিডনি জনিত সমস্যায় ওকে দেখতে গিয়েছিলাম, পরে শুনলাম ওর কিডনি দুইটাই বিকল। ডায়ালাইসিস করছে বেশ কিছুদিন যাবৎ। গতকাল ওর ছেলে ফোন দিয়েছিল শুধু বলল, “আঙ্কেল বাবা লাইফ সাপোর্টে, করোনা পজিটিভ।” নিজেকে কন্ট্রোল করতে কষ্ট হচ্ছিল।’

ওমর সানী আরও বলেন, ‘এমনিতেই কিডনি চিকিৎসায় ব্যয়বহুল ব্যাপার তারপর লাইভ সাপোর্ট। ওর ফ্যামিলি অনেক ভালো অবস্থায় আছে। কিন্তু এইভাবে খরচ হলে রাজার ভান্ডার শেষ হয়ে যায়। সেটাই বলছিল, শাহিনের ছেলে। কি করবো বুঝতে পারছি না, শুধু আল্লাহকে বলি আল্লাহ তুমি সুস্থতা দান করো, বন্ধুকে ফিরিয়ে দাও।’

বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন শাহিন আলমের একমাত্র ছেলে ফাহিম নূর আলম। তিনি জানান, তার বাবার চিকিৎসার জন্য প্রতিদিন এক লাখ টাকার বেশি খরচ হচ্ছে। তিনি স্বনামধন্য একজন চলচ্চিত্র শিল্পী ছিলেন, তাই পরিবারের পক্ষ থেকে আশা করা হচ্ছে, এই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী তাদের পাশে থাকবেন।

ফাহিম নূর আলম বলেন, ‘আমাদের ওরকম সামর্থ্য নেই যে ভালো চিকিৎসা করাব। হয়তো আজগর আলীতেই নেওয়া হতো না, যদি আত্মীয়রা সহযোগিতা না করতেন। অনেকেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আবেদনের বিষয়টি বলছেন। আমরাও সেদিকে চেয়ে আছি। প্রধানমন্ত্রী তো ইতোমধ্যে অনেককেই সহযোগিতা করেছেন। সন্তান হিসেবে আমার আকুতি, উনার কাছে পৌঁছে দেওয়ার আবেদন করছি আপনাদের কাছে।’

১৯৮৬ সালে নতুন মুখের সন্ধানের সুবাদে চলচ্চিত্রে পা রাখেন পান শাহিন আলম। তার অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘মায়ের কান্না’। এটি ১৯৯১ সালে মুক্তি পায়। এরপর অভিনয় করেন বেশ কিছু সিনেমা। বর্তমানে চলচ্চিত্র থেকে দূরে রয়েছেন শাহিন আলম। নিজ ব্যবসা নিয়েই ব্যস্ত আছেন এই অভিনেতা। 

জানা যায়, করোনার মধ্যে শাহিন আলমকে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হয়েছে। সেই সময়ে অর্থনৈতিকভাবে আরও দুর্বল হয়ে পড়েন তিনি। চিকিৎসার ক্ষেত্রেও অনেক সময় কালক্ষেপণ করতে হয়েছে তাকে। অন্যদিকে, মিডিয়া থেকে দূরে থাকায় তার খোঁজ খবরও তেমন কেউ পাননি।

তার উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে ঘাটের মাঝি, এক পলকে, গরিবের সংসার, তেজী, চাঁদাবাজ, প্রেম প্রতিশোধ, টাইগার, রাগ-অনুরাগ, দাগী সন্তান, বাঘা-বাঘিনী, আলিফ লায়লা, স্বপ্নের নায়ক, আঞ্জুমান, অজানা শত্রু, দেশদ্রোহী, প্রেম দিওয়ানা, আমার মা, পাগলা বাবুল, শক্তির লড়াই, দলপতি, পাপী সন্তান, ঢাকাইয়া মাস্তান, বিগ বস, বাবা, বাঘের বাচ্চা, বিদ্রোহী সালাউদ্দিন ইত্যাদি।

advertisement