advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

কালবৈশাখীতে নিহত ১০
সবার সতর্কতা প্রয়োজন

৬ এপ্রিল ২০২১ ০০:০০
আপডেট: ৬ এপ্রিল ২০২১ ০০:০৬
advertisement

বৃক্ষ আমাদের কত কিছু দেয়। কিন্তু ওই বৃক্ষ যদি মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়, তা হলে এ জন্য দায়ী কারা? গত রবিবার কালবৈশাখীতে রাজধানী ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাইবান্ধা, নাটোরের গুরুদাসপুর ও রাজশাহীসহ বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে প্রাণঘাতী কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে ১০ জন নিহত হয়েছেন। ঝড়ে একটা জিনিস দেখা গেছে, গাছের নিচে চাপা পড়ে নিহতের সংখ্যা বেশি। বিশেষ করে রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাতের পাশে গাছের শিকড় অগভীর। কারণ নিচে মাটি নেই। তা ছাড়া নানা কারণে গাছের শিকড় গভীরে যেতে পারে না। ফলে মাটি কামড়ে থাকার শক্তি গাছগুলোর কম। অন্যদিকে নির্মাণকাজ, ফুটপাত সংস্কার কিংবা খোঁড়াখুঁড়ির জন্যও বড় বড় বৃক্ষের শিকড় আলগা হয়ে থাকে। তাই সামান্য ঝড়-বৃষ্টিতেই উপড়ে পড়ছে গাছ। এতে ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। তা খুবই দুঃখজনক।

পরিবেশ রক্ষার জন্য গাছ লাগানোর দরকার আছে। বিশেষ করে সড়ক ও ফুটপাতের পাশে শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সঠিকভাবে এর পরিচর্যা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। কোথায় কী ধরনের গাছ লাগানো হবে, এ ব্যাপারেও সুনির্দিষ্ট নিয়ম থাকতে হবে। এ ছাড়া সড়কের ধারে গাছ, স্থাপনা বা খুঁটি ঝুঁকিপূর্ণ কিনা- তা চিহ্নিত করতে হবে। কিন্তু কাজটি যাদের করার কথা, তারা কি যথাযথভাবে পালন করছেন? মনে হয় করছেন না। সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে গাছচাপায় মানুষ নিহত হতো না। যেমন- প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও চলচ্চিত্র নির্মাতা খালিদ মাহমুদ মিঠুর মতো প্রতিভাবান ব্যক্তিকে হারাতাম না।

কালবৈশাখীর ঝড়ে আরও গাছ উপড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে জরুরি ভিত্তিতে রাজধানীসহ তালিকা করে ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলোকে শনাক্ত করতে হবে। কাজেই এ ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। এ জন্য আমাদের সবাইকে আবহাওয়ার দিকনিদের্শনা মেনে সতর্কতার সঙ্গে চলতে হবে।

advertisement