advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

বাফুফের কার্যক্রমে ফিফা সন্তুষ্ট : সালাম মুর্শেদী

ক্রীড়া প্রতিবেদক
৬ এপ্রিল ২০২১ ২০:৫২ | আপডেট: ৭ এপ্রিল ২০২১ ১৬:৩৯
advertisement

অর্থ ব্যয়ে স্বচ্ছতার অভাব, অডিট ও আর্থিক লেনদেনের প্রক্রিয়ায় সন্তুষ্ট না হওয়ায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) বাৎসরিক বরাদ্দ বন্ধ করে দিয়েছে বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ফিফা)। গণমাধ্যমে এমন সংবাদ প্রচারের পর আজ মঙ্গলবার ফিফার সঙ্গে ভার্চুয়ালি আলোচনায় বসেছিল বাফুফে।

সভা শেষে বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী ও আবু নাইম সোহাগ গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন। এসময় তারা দাবি করেন, বাফুফের সকল কার্যক্রমে ফিফা সন্তুষ্টি জানিয়েছে। এছাড়াও বেশ কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। যা ভবিষ্যতে বাফুফে আরও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার চেষ্টা করবে।

ফিন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘ফিফা আমাদের ফাইন্যান্স কার্যক্রমে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। তারই কারণ হিসেবে দেখেন এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) আমাদেরকে কিন্তু ফান্ড রিয়ালাইজেশনের ব্যাপারে বছরের প্রথমেই ৭৫ শতাংশ দিচ্ছে। সন্তুষ্ট না হলেও তা দিতো না।’

ফিফার আজকের সভায় মূলত আরও বেশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার তাগিদ এসেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ফিফা পরামর্শ দিয়েছে তোমরা সব সময় চেষ্টা করবে তিনটা সাপ্লাইয়ারের সঙ্গে আলোচনা করে ক্রয়-বিক্রয় প্রক্রিয়া করতে। এক্ষেত্রে সাপ্লাইয়ারের যোগ্যতা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এরপর যার কাছে কম পাবে তার কাছ থেকেই নিবে।’

ফিফার কাছ থেকে পেমেন্ট বন্ধ হয়ে গেছে কি না এমন প্রশ্নে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা ১৫দিন আগেও ফিফার একটি পেমেন্ট পেয়েছি। আমরা আমাদের রেগুলার যে পেমেন্টগুলো আছে, সেগুলো ঠিকই পাচ্ছি। এছাড়াও বাফুফে থেকে যে পেমেন্টগুলো আছে সেগুলোও ঠিকমতো পাচ্ছি। ফিফা আমাদের কাছে জানতে চেয়েছে ২০১৬ সালে বেতনের ক্ষেত্রে সময় মতো পরিশোধে যে সমস্যা ছিলো, সেটা কি সমাধান হয়েছে। আমাদের চেয়ারম্যান স্যার নিশ্চিত করেছেন যে, কোচ, টেকনিক্যাল ডিরেক্টর, রেফারি, ফরেনারসহ সকলের পেমেন্ট ঠিকমতো হচ্ছে।’

‘তবে আমরা ফিফাকে অনুরোধ করে জানিয়েছি যে, মে মাসের মধ্যে আমাদের অ্যাচিভমেন্টগুলো বা যে বিষয়গুলোতে আরও কাজ করার রয়েছে তা টাইমলাইন ফলো করে করতে আমরাও বদ্ধপরিকর। আমরা এর জন্য ফিফার কাছেও সহযোগিতা চেয়েছি।’ যোগ করেন তিনি।

ফিফার বাজেটের ২ মিলিয়ন ডলারের ফান্ড পায়নি বাফুফে, এর কারণ কি বাফুফের কোভিড কার্যক্রম না থাকার কারণে হচ্ছে না, এমন প্রশ্নের জবাবে সোহাগ বলেন, ‘বিভিন্ন আর্টিফিসিয়াল ট্রাফ নেওয়া, টেকনিক্যাল সেন্টার করা বা আমাদের বিভিন্ন এলিট রেসিডেনসিয়াল প্রোগ্রাম যেগুলো এর আগে আমরা করে এসেছি। শুধু বাংলাদেশ না এশিয়ার অনেক দেশেই ফিফার এ কাজগুলো সম্পাদিত হয়নি। যেটা তারা আমাদের গত বছরই লিখিতভাবে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে যে কোভিড সংক্রান্ত পরিস্থিতিতে অনেক দেশই এগুলো ইউটিলাইজ করতে পারছে না। এখানে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। ফিফা ধাপে ধাপে সব দেশের সঙ্গে এটা নিয়ে কাজ করবে, এবং এই ফান্ড নষ্ট হবে না।’

অর্থ পাওয়ার পর তা কোন কোন খাতে কিভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। এমন নথিপত্র পূণরায় ফিফার কাছে পাঠাতে বাধ্য ফেডারেশনগুলো। ফলে বাফুফেও তাদের লেনদেনের ক্ষেত্রে ৯০ শতাংশই চেকের মাধ্যমে করেছে জানিয়ে সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘ফিফার নির্দেশ ক্রমেই বাফুফে অধিকাংশ লেনদেন চেকে হয়ে থাকে। আমরা ৭০০-৮০০ টাকার লেনদেনও চেকের মাধ্যমে করি। অনেকেই আমার কাছে সরাসরি লেনদেনের বিষয়ে বলে কিন্তু আমি সবাইকে বলে দিই একাউন্ট খুলে এরপর টাকা নিতে আসবেন। সুতরাং এক্ষেত্রেও অনিয়মের সম্ভাবনা নেই।’

advertisement