advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

প্লেয়ারদের সুইচ অফ হয়ে গেছে : সুজন

ক্রীড়া প্রতিবেদক
৬ এপ্রিল ২০২১ ২১:৪৪ | আপডেট: ৬ এপ্রিল ২০২১ ২১:৪৪
বিসিবির পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন। পুরোনো ছবি
advertisement

করোনাভাইরাসের প্রকোপ কাটিয়ে ওয়েস্টইন্ডিজের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে বাংলাদেশ। তারপর থেকে টানা আট ম্যাচে হারের বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে ক্রিকেটাররা। ঘরের মাঠে ক্যারিবিয়দের বিপক্ষে টেস্টে হোয়াইটওয়াশের পর নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে টানা ছয় ম্যাচে ভরাডুবি, সবকিছুর কারণ খুঁজতে গিয়ে বিসিবির পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন জানালেন, ‘প্লেয়ারদের সুইচ অফ হয়ে গেছে।’

আজ মঙ্গলবার মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন। একের পর এক হারে ক্রিকেটাররা কি হারাচ্ছে, এমন প্রশ্নে সুজন বলেন, ‘আমার মনে হয় প্লেয়াররা এখন সুইচ অন-অফের যুগে তো, ওই সুইচ অফ হয়ে গেছে। এখন আবার সুইচ অন করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘শুধুমাত্র ক্রিকেট ট্রেনিং করলেন না করলেন নিয়ে নয়, ইটস অল এবাউট মেন্টাল। মেন্টালি যদি আপনি ফিট, যদি আপনি মেন্টাল প্রেশার নিতে পারেন তাহলে আপনার ব্যাসিক তো জানাই আছে, আপনি জানেন কিভাবে খেলতে হয়। তাই মেন্টালি প্রস্তুত থাকতে হবে।’

শ্রীলঙ্কা সিরিজেও টাইগারদের সঙ্গে থাকছেন না দলের পোস্টার বয় সাকিব আল হাসান। ফলে সাকিবের শূন্যতা কতটা ভোগাবে দলকে, এমন প্রশ্নে সুজন বলেন, ‘সাকিব দলে নেই তাই এটা একটা বড় ইস্যু আমাদের জন্য। কারণ সাকিব থাকলে টিমের ব্যালেন্সে সুবিধা হয়। সাকিব থাকা মানে একটা ব্যাটসম্যান ও বাড়তি বোলার পাওয়া এবং সাথে একটা বাড়তি ব্যাটসম্যান ও বোলারকে আমরা খেলাতে পারি। তো সেখানে একটা প্রবলেম তো হতেই পারে।’

বাংলাদেশের এক সময়ের তারকা ক্রিকেটার মোহাম্মদ রফিক, হাবিবুল বাশার সুমন, নাইমুর রহমান দুর্জয়ের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘সারাজীবন মাশরাফী, সাকিব, তামিম, রিয়াদ বা মুশফিককে নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট খেলবে না। এক সময় এরাও ছেড়ে যাবে। তাই বলে বাংলাদেশ দল আটকে থাকবে না, চলতে তো হবেই। যেহেতু সাকিব খেলছে না তাঁর বিকল্প যাই আছে আমাদের তা ডিসাইড করতে হবে এবং যারাই আছে তারা যে ক্যাপাবেল না তা না। তারাও ম্যাচ উইনার, অনেক ম্যাচ তারা ভালো খেলেছে জিতিয়েছে।’

সিনিয়র-জুনিয়র সবারই দায়িত্ব নিতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা সিনিয়র-জুনিয়রের খেলা না। যেহেতু সবাই ন্যাশনাল টিমকে রিপ্রেজেন্ট করছে। আমি মনে করি, সবারই সমান দায়িত্ব আছে। এটা এমন নয় যে, তামিমের রিস্পন্সিবিলিটি ১০০ এবং আরেকটা জুনিয়র ক্রিকেটার লিটনের রিস্পন্সিবিলিটি ১০। আমি মনে করি তামিমের রিস্পন্সিবিলিটি ১০০ এবং লিটনের রিস্পন্সিবিলিটিও ১০০। তাই আপনি কম্পেয়ার করতে পারবেন না যে আপনি নতুন না পুরনো। ইউ আর গুড, এজন্যেই আপনি ন্যাশনাল টিমে খেলছেন।’ আসবেন। সুতরাং এক্ষেত্রেও অনিয়মের সম্ভাবনা নেই।’

advertisement