advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

সেফটির জন্যই লকডাউন, বললেন অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
৮ এপ্রিল ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ৭ এপ্রিল ২০২১ ২২:৪৬
advertisement

কোভিড-১৯ প্রতিরোধে জনগণের সেফটির জন্যই লকডাউন দেওয়া হয়েছে। দেশের মানুষের যেন ক্ষতি না হয় আমরা সব সময় সেদিকে লক্ষ রাখছি। গতকাল বুধবার অর্থনৈতিক বিষয়ক সংক্রান্ত ও সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ কথা বলেন। লকডাউনে দোকানপাট বন্ধ থাকায়

নিম্ন আয়ের মানুষ সমস্যায় রয়েছে, অর্থমন্ত্রী হিসেবে তাদের জন্য কিছু করার পরিকল্পনা আছে কিনা- এমন প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের যেসব কারণে লকডাউন দেওয়া হয়েছে, সেটা আপনারা জানেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা দেখে ব্যবস্থা নেবেন। জনগণের সেফটি সিকিউরিটির কথা মাথায় রেখে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি আমার নয়, তাই সে বিষয়ে আমি কথা বলতে চাই না। দেশের মানুষের যেন ক্ষতি না হয়, আমরা সব সময় সেদিকে লক্ষ রাখছি।’

তিনি বলেন, ‘করোনার প্রণোদনা প্যাকেজগুলো আমাদের মন্ত্রণালয় থেকেই ঘোষণা করা হয়েছে, কিন্তু সবগুলো প্যাকেজই প্রধানমন্ত্রীর ধারণা ও পরিকল্পনায় হয়েছে। তিনিই সেসব করে দিয়েছেন। আমরা শুধু তার হয়ে এগুলো বাস্তবায়ন করেছি।’

বিশ্বব্যাংকের প্রজেকশন নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক অথবা আইএমএফ বিভিন্ন দেশের জন্য প্রজেকশন করে থাকে, টাইম টু টাইম। বিশ্বব্যাংক আমাদের সম্পর্কে বেশ উচ্ছ্বসিত ধারণা দিল, এর সঙ্গে বাস্তবের কোনো মিল আছে আমাদের? মূলত আমাদের কাজ আমাদেরই করতে হবে। আমাদের থিউরেটিক্যাল এসপেক্টে না গিয়ে প্র্যাকটিক্যাল এসপেক্টে ভাবতে হবে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রয়োজনের অতিরিক্ত চাল ও গম কেনা হবে না। আমরা বেশি চাল কিনব না, বেশি কিনলে আমাদের কৃষক সম্প্রদায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আবার গমও বাড়তি কিনব না, যেন কনজিউমারদের সাফার করতে না হয়। এই দুইয়ের সমন্বয়ে আমরা কাজগুলো করে থাকি।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’র ১২তম এবং সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ১৪তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের জন্য দুটি এবং ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের জন্য আটটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ক্রয়সংক্রান্ত কমিটিতে উপস্থাপিত প্রস্তাবনাগুলোর মধ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের চারটি, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একটি, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একটি, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একটি এবং সেতু বিভাগের একটি প্রস্তাব ছিল। এর মধ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের একটি ক্রয় প্রস্তাবে কমিটি অনুমোদন দেয়নি। এ ছাড়া গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন গণপূর্ত অধিদপ্তর অন্য একটি প্রস্তাবে পুনঃদরপত্রের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ অনুমোদিত ছয়টি প্রস্তাবে মোট অর্থের পরিমাণ ১ হাজার ৫৬৬ কোটি ৭১ লাখ ৭৯ হাজার ১৬০ টাকা।

#

advertisement