advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

রিয়াল ও ম্যানসিটির জয়

ক্রীড়া ডেস্ক
৮ এপ্রিল ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ৭ এপ্রিল ২০২১ ২২:৫৭
advertisement

এস্তাদিও আলফ্রেডো ডি স্টেফানোতে খেলা ছিল। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে লিভারপুলকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে জিনেদিন জিদানের দলটি। অপর ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটি ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে আপাতত স্বস্তি পেয়েছে। দ্বিতীয় লেগের খেলা রয়েছে ১৪ এপ্রিল।

চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাস বলছে দ্বিতীয় লেগে অনেক ভোল পাল্টে যেতে পারে। ২০১৯ সালে লিভারপুল বার্সেলোনার মাঠে ৩-০ গোলে হেরে গিয়েছিল। এর পর অ্যানফিল্ডে লিভারপুল ৪-০ গোলে বার্সেলোনাকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল। অবশ্য এটা কোয়ার্টার ফাইনাল।

এ ম্যাচে প্রথম থেকেই রিয়াল মাদ্রিদ আধিপত্য ধরে রেখে খেলতে থাকে। ২৭ মিনিটে টনি ক্রুসের ক্রস পেয়ে যায় ভিনিসিয়াস জুনিয়র। বলটি বুক দিয়ে রিসিভ করে সামনে আগান। ব্রাজিলিয়ান এই তরুণ তারকা এর পর জোরালো শটে জালে পাঠিয়ে দেন বল। চ্যাম্পিয়নস লিগ নকআউট পর্বে রিয়াল মাদ্রিদে বয়সের বিচারে দ্বিতীয় কম বয়সী গোল স্কোরার তিনি (২০ বছর ২৬৮ দিন)। এর আগে রাউল ১৯৯৬ সালে ১৮ বছর ২৫৩ দিন বয়সে জুভেন্টাসের বিপক্ষে নক আউট ম্যাচে গোল করেছিলেন।

৩৬ মিনিটে লিভারপুলের ডিফেন্ডারের ভুলে বল পেয়ে আক্রমণে যান অ্যাসেনসিও। গোলকিপার অ্যালিসন বেকারের মাথার ওপর দিয়ে বল নিয়ে গিয়ে গোল করেন স্পেনের এই ফুটবলার। রিয়াল মাদ্রিদ প্রথমার্ধ শেষে ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে প্রাণ ফিরে পাওয়া লিভারপুল মোহামেদ সালাহর গোলে ব্যবধান একটু কমায় ৫১ মিনিটে (২-১)। তবে ৬৫ মিনিটে মদ্রিচের পাস থেকে আবারো ভিনিসিয়াস গোল করে ব্যবধান ৩-১ করে ফেলেন। এর পর লিভারপুল ম্যাচের শেষ ১০ মিনিটে বেশ চাপ প্রয়োগ করলেও ব্যবধান আর কমাতে পারেনি। হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছে অলরেডরা।

উল্লেখ্য, রিয়াল মাদ্রিদের ভারানের কোভিড পজিটিভ ও রামোস ইনজুরির জন্য খেলতে পারেননি। ভারান যে কোভিড পজিটিভ খেলার কয়েক ঘণ্টা আগে সেটা জানা গেছে।

ম্যানচেস্টারে ১৯ মিনিটে স্বাগতিকরা গোল পায় ডি ব্রুইনের কাছ থেকে। বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের মার্কা রয়েস ৮৪ মিনিটে ম্যাচের ফল ১-১ করে ফেলেন। হালান্ডের পাসে গোল হয়েছে। ৬ মিনিট পর সিটিকে জয়ের স্বাদ পাইয়ে দেন ফোডেন।

advertisement