advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

অধস্তন আদালত খুলে দিতে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক
৮ এপ্রিল ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ৭ এপ্রিল ২০২১ ২২:৫৯
advertisement

করোনা প্রতিরোধে চলমান কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে দেশের অধস্তন আদালতগুলো খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম ও সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা এবং গত ৫ এপ্রিল ঢাকা জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে এ চিঠি দেন।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে গত ৫ এপ্রিল থেকে সারা দেশে সুপ্রিমকোর্টসহ সব অধস্তন আদালতে বিচার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে সুপ্রিমকোর্ট। তবে জরুরি বিষয় শুনানির জন্য সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে একটি চেম্বার বেঞ্চ এবং হাইকোর্ট বিভাগে

মাত্র চারটি বেঞ্চ বসছে। আর প্রত্যেক জেলা ও মহানগরে এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট খোলা থাকছে। এ সিদ্ধান্ত গত ৫ এপ্রিল থেকেই কার্যকর হয়েছে। সুপ্রিমকোর্টের এ সিদ্ধান্তের কারণে সংক্ষুব্ধ হয়ে সুপ্রিমকোর্টে আইনজীবীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। তারা সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে সব বেঞ্চ ভার্চুয়ালি চালুর দাবি জানান।

এ অবস্থায় ৫ এপ্রিল ঢাকা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী ঢাকার আদালত খুলে দিতে প্রধান বিচারপতির কাছে লিখিত আবেদন জানান। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল সিলেট ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দেন।

সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চলমান লকডাউনের সময় বিচারপ্রার্থী জনগণ ও আইনজীবীদের স্বার্থে নিম্ন (অধস্তন) আদালতে মামলা-মোকদ্দমা পরিচালনার জন্য কিছু লিখিত পদক্ষেপ

গ্রহণ করা একান্ত আবশ্যকীয়। সর্বোপরি লকডাউনের মেয়াদ বর্ধিত না করেও স্বাস্থ্যবিধি অনুসারে আবশ্যকীয় পদক্ষেপগুলো মেনে কোর্ট পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ-নির্দেশ প্রদান করার জন্য সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতি সবিনয়ে প্রার্থনা করছে।’ সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষে সভাপতি অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান এ চিঠি পাঠিয়েছেন।

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এএইচএম জিয়াউদ্দিন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ‘উদ্ভূত করোনা পরিস্থিতিতে জরুরি বিষয়সমূহ নিষ্পত্তিকরণার্থে সীমিত আকারে নিম্ন আদালতসমূহে জামিন শুনানি, জরুরি নিষেধাজ্ঞার আবেদন ও ফাউলিং কার্যক্রম চালু করা প্রয়োজন।’ আদালত অঙ্গনে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের বিষয়ে ভিড় এড়াতে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি স্বাস্থ্যসেবা সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

advertisement