advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

চিঠিপত্র

৮ এপ্রিল ২০২১ ০০:০০
আপডেট: ৭ এপ্রিল ২০২১ ২৩:১৩
advertisement

চাই নতুন শিক্ষাব্যবস্থা

২০২০ সালের মার্চ থেকে দীর্ঘ একটি বছর বেশি বন্ধ রয়েছে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এতে আমরা শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যখন আগের গতি ফিরে পাবে, তখন এই গতানুগতিক শিক্ষাধারার পাশাপাশি আমাদের নতুন একটি শিক্ষাব্যবস্থায় উপনীত হওয়া উচিত। তবে এই নতুন শিক্ষাব্যবস্থা কেমন হতে পারে? সাধারণত বাংলাদেশের একটি শ্রেণিকক্ষে ৯০-১০০ শিক্ষার্থী ও একজন শিক্ষক থাকেন। শিক্ষকের শিক্ষাদান পদ্ধতি সহজ করতে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থী সংখ্যা কমাতে হবে। আমাদের গতানুগতিক শিক্ষাব্যবস্থায় তিনটি বিভাগ রয়েছে। যথা- বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় বিভাগ। তাই আমাদের দেশের শিক্ষার্থীদের ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় যেভাবেই হোক, তাদের ওই তিনটি বিভাগেই পড়তে হয়। ফলে পড়ালেখা আনন্দ নয়, বরং যন্ত্রণা মনে হয়। পরবর্তী শিক্ষাব্যবস্থা এমন হয়- যেখানে শিক্ষার্থীরা যে বিষয়ে আগ্রহী, ওই বিষয়েই পড়ালেখা করবে। এতে প্রত্যেক শিক্ষার্থী তার প্রতিভা অনুযায়ী নিজেকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে পারবে। ফলে বাংলাদেশে বেকার সমস্যা অনেকাংশে হ্রাস পাবে। এ রকম শিক্ষাব্যবস্থা যদি সত্যিই বাস্তবায়ন করা হয়, তা হলে বাংলাদেশের শিক্ষার মান অনেক উন্নত এবং আমরা শিক্ষার্থীরা অনেক উপকৃত হব।

সাদিয়া আফরোজ নুহা

নবম শেণি, বিজ্ঞান বিভাগ, চরফ্যাশন সরকারি

টি. ব্যরেট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়

সেবাদানের নিশ্চয়তা জরুরি

বর্তমানে করোনা একটি মারাত্মক ব্যাধি। এর থেকে রেহাই পাচ্ছে না গোটা পৃথিবী। ইউরোপীয় দেশসহ পৃথিবীর সব দেশেই দেখা দিচ্ছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। দিনের পর দিন বেড়ে চলেছে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার। এ জন্য সরকার দিয়েছে লকডাউন। কিন্তু এই লকডাউন কতটুকু সঙ্গতিপূর্ণ? লকডাউনের খবর শুনে অনেকেই ছুটে চলেছেন নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকানে আর কিনে নিচ্ছেন মাসিক বাজার। অথচ রিকশাচালক, ভ্যানচালকের মতো হাজারো মানুষ পাচ্ছে না একবেলার জন্য দুই মুটো খাবার। তারা কী করে থাকবেন লকডাউনে বাসায়- যাদের বাসা থেকে বের না হলে মেলে না প্রয়োজনীয় খাবার! ভিক্ষুক হয়তো সবার কাছে হাত পেতে নিজের খাবার জোগাড় করে নেন। একটিবার কি ভেবে দেখেছেন, মধ্যবিত্ত শ্রেণির লোকজনের অবস্থা? তারা না পারেন ভিক্ষা করতে, না পারেন লকডাউনে বের হয়ে রোজগার করে টাকা জোগাড় করতে। তা হলে কী করে চলবে তাদের সংসার? জনসচেতনতার জন্য লকডাউন হয়তো প্রয়োজন। কিন্তু লকডাউনের জন্য কেউ যেন না খেয়ে মারা না যান, তাদের জন্য খাদ্যের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে সেবাদানের নিশ্চয়তা প্রদান করা জরুরি।

রাজু চন্দ্র দাস

শিক্ষার্থী, এমসি কলেজ, সিলেট

advertisement