advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ওষুধ কারখানায় বিস্ফোরণে আহত ৭

৮ এপ্রিল ২০২১ ০০:১৬
আপডেট: ৮ এপ্রিল ২০২১ ০০:১৬
advertisement

কুমিল্লা বিসিক শিল্প নগরীতে বেঙ্গল ড্রাগ অ্যান্ড কেমিক্যাল ওয়ার্কস ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেড নামে একটি ওষুধ কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন ৭ জন। গতকাল সকাল সোয়া ১০টার দিকে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
কারখানা কর্তৃপক্ষের দাবি এসি থেকেই এ বিস্ফোরনের ঘটনা ঘটেছে। তবে ফায়ার সার্ভিস বলছে, কারখানায় ক্যামিক্যাল থাকায় বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। বিস্ফোরণের পর ভবনের ক্ষতি ও দোতলায় মজুদ বিভিন্ন রাসায়নিক দেখে বিস্ফোরণের সম্ভাব্য সব কারণই খতিয়ে দেখা হবে।
কারখানার প্ল্যান্ট ম্যানেজার সুমন চন্দ্র দত্ত জানিয়েছেন, আহত হলেন কারখানার কর্মী আল-আমিন ও সন্ধ্যারানী এবং ক্লিনার শামিমা আক্তার। বাকিদের নাম জানা যায়নি। তবে স্থানীয়রা বলছে, আহত হয়েছে ১৫ থেকে ২০ জন শ্রমিক।
কারখানার ম্যানেজার রেজাউল করিম জানান, সকালে হঠাৎ করে দ্বিতীয় তলায় বিস্ফোরণ হলে ভবনটি কেঁপে উঠে। এতে ভবনের দেয়ালসহ বিভন্ন অংশ ভেঙে যায় এবং ৬-৭ জন শ্রমিক আহত হন। আহতদের
উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে গুরুতর আহত জুলেখা, শামীমা ও আল আমিনকে নেওয়া হয় কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মুকুল, সন্ধ্যারানী ও কারখানার হেড অব কোয়ালিটি কর্মকর্তা ঈসমাইল হোসেনকে কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র কুটির শিল্প উন্নয়ন করপোরেশন (বিসিক) কুমিল্লার ডিজিএম জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা বিস্ফোরণের কারণটি জানতে পারিনি। এ বিষয়ে পৃথক তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
কুমিল্লা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, কারখানার তিনতলা ভবনের দোতলায় বিস্ফোরণটি হয়। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে দোতলা থেকে উদ্ধার করা হয় আহতদের। তারা মূলত বিস্ফোরণে ভেঙে পড়া দেয়ালের ইট ও বিভিন্ন কাচের আঘাতে আহত হয়েছেন। তাদের কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল হক বলেন, দুর্ঘটনার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বিস্ফোরণের কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কুমেকের বার্ন ইউনিটের প্রধান ডা. মীর্জা তাইয়েবুল ইসলাম বলেন, বিস্ফোরণ হলেও কারো শরীর পুড়ে যায়নি, ফ্রাকচার হয়েছে। তাদের জেনারেল ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

advertisement