advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ঝিনাইগাতীতে কালবৈশাখী ঝড়
গরম বাতাসে ৫০ হেক্টর জমির ধান নষ্ট

ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি
৯ এপ্রিল ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ৮ এপ্রিল ২০২১ ২১:৩৯
advertisement

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে গরম বাতাসে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উপজেলা কৃষি বিভাগের প্রাথমিক হিসাবে উপজেলায় ৫০ হেক্টর জমির ধান (ফুল অবস্থায়) সবুজ থেকে সাদা হয়ে ধানের শীষ নষ্ট হয়েছে। তবে কৃষকদের ভাষ্য মতে, ধান নষ্ট হওয়া জমির পরিমাণ আরও বেশি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির বলেন, উপজেলায় চলতি বছর ১৩ হাজার ৭৭৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। গত রবিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে গরম বাতাস হওয়ায় উপজেলার নলকুড়া, রাংটিয়া, ডেফলাই, কাংশা, নওকুচি, গান্ধীগাঁও, জামতলী, হালচাটি, বগাডুবি এলাকার ৫০ হেক্টর জমির উঠতি বোরো ধানে যে শীষ এসেছিল তা চিটায় পরিণত হয়ে সাদা হয়ে গেছে।

গতকাল সকালে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গাজীপুর (ব্রি)-এর কীটতত্ত্ব বিভাগের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. পান্না আলী বলেন, ‘উপজেলা কৃষি বিভাগের আহ্বানে আমরা একটি পর্যবেক্ষণ দল নিয়ে এসেছিলাম। পর্যবেক্ষণ শেষে ও কৃষকদের ভাষ্যমতে কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে ৩৭ থেকে ৪০ তাপমাত্রার গরম বাতাস হওয়ার কারণে ধান শীষগুলো শুকিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।’

এর আগে মঙ্গলবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকার জমির ধান পর্যবেক্ষণ করেন ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গাজীপুর (ব্রি)-এর কীটতত্ত্ব বিভাগের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. পান্না আলী, উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. কাজী শিরিন আক্তার জাহান, উদ্ভিদ শরীরতত্ত্ব বিভাগের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হীরেন্দ্র নাথ বর্মণ।

উপজেলার জামতলী এলাকার কৃষক আব্দুর রশিদ বলেন, ‘ঝড় ও গরম বাতাসে আমাদের ধান সব শেষ, এখন আমরা সারাবছর কী খাব।’

উপজেলা চেয়ারম্যান এসএমএ ওয়ারেজ নাইম বলেন যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সাহায্যের জন্য সরকারের কাছে সাহায্যের আবেদন করা হয়েছে।

advertisement