advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

মাদ্রাসায় গোপন বৈঠক, পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হেফাজতের ১২ কর্মী

নিজস্ব প্রতিবেদক ও  সোনারগাঁও প্রতিনিধি
৮ এপ্রিল ২০২১ ২২:০৯ | আপডেট: ৯ এপ্রিল ২০২১ ০১:১৩
সোনারগাঁওয়ের রয়েল রিসোর্টে হামলা চালিয়ে হেফাজত নেতা মামুনুল হককে উদ্ধার করে নিয়ে যান হেফাজতের কর্মীরা
advertisement

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে একটি মাদ্রাসায় গোপনে বৈঠক করার অভিযোগে হেফাজতের সাতজন কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের পাচানী শান্তিনগর দারুন নাজাত মাদ্রাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত দুই দিনে হেফাজতের আরও পাঁচ কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে সংগঠনটির ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, স্থানীয় চরগোয়ালদী গ্রামের হেফাজত কর্মী ও খাসেরগাঁও জামে মসজিদের ইমাম মোহাম্মদ ইউনুস (৩৮), মঙ্গলেরগাঁও গ্রামের মো. শরীফ (২১), পাচঁকানির কান্দি গ্রামের আবু সাঈদ (২৭), দুধঘাটা গ্রামের হাসান মাহমুদ (২৪), শান্তিনগর গ্রামের মো. রেদোয়ান (৩৭), কোরবানপুর গ্রামের মো. রায়হান (৩১) ও পাচাঁনী গ্রামের হাসান মাহমুদ (২৯)।

গ্রেপ্তারকৃতদের সোনারগাঁও থানা পুলিশের দায়ের করা দুইটি মামলা ও স্থানীয় সাংবাদিক হাবিবুর রহমানের ওপর হামলার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া গত মঙ্গলবার, বুধবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় সনমান্দি ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকার মোস্তফা, বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের পঞ্চবটি গ্রামের রাজু, আবু রায়হান ও ইমরান, সোনারগাঁও পৌরসভার খাসনগর দিঘিরপাড় গ্রামের আকাশ নামে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সোনারগাঁও থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) তবিদুর রহমান জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। গোপন বৈঠকের খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শান্তিনগর দারুন নাজাত মাদ্রাসায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় মাদ্রাসার ভেতর থেকে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে জড়িত বলে স্বীকার করেছেন।

৩ এপ্রিল হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হককে সোনারগাঁও রয়েল রির্সোটে নারীসহ আটক করেন স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পরে বিক্ষুদ্ধ হেফাজতের নেতাকর্মীরা ওই রিসোর্টসহ আওয়ামী লীগ কার্যালয়, যুবলীগ-ছাত্রলীগের বাড়ি-ঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালান। এ ছাড়া স্থানীয় এক সাংবাদিককে মারধর করেন।

এ ঘটনায় সোনারগাঁও থানা পুলিশের দুইজন উপপরিদর্শক (এসআই) ৮৩ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৫-৬শ অজ্ঞাতনামা আসামি করে থানায় দুইটি মামলা দায়ের করেন। এ ছাড়া আহত ওই সাংবাদিক ১৭ জন জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও শতাধিক আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

advertisement