ফাইভজি চালু হবে ২০২১ সালে

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ০০:৪৪

২০২১ সালের শুরুতে রাজধানী ঢাকায় ফাইভজি চালু করে ওই বছরই সব বিভাগীয় শহরে সেবা সম্প্রসারণ করতে চায় সরকার। এর পর ২০২৩ সালের মধ্যে সব জেলা শহর এবং ২০২৬ সালের মধ্যে সব উপজেলা, গ্রোথ সেন্টার বা বড় হাটবাজার, বিশ্বরোড ও রেলে এই সেবা চালু করার হবে। ফাইভজি নিয়ে সরকারের খসড়া রোডম্যাপে এসব লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। গতকাল ‘ফাইভজি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে এই খসড়া রোডম্যাপ

বিষয়ে নানা তথ্য তুলে ধরা হয়।

এতে বলা হয়, ২০২০ বছরের প্রথম প্রান্তিকে ফাইভজি নীতিমালা চূড়ান্ত হবে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে সরকারের অনুমোদন এবং তৃতীয় প্রান্তিকে অপারেটরগুলোকে স্পেকট্রাম দেওয়া হবে। চতুর্থ প্রান্তিকের মধ্যে দেওয়া হবে লাইসেন্স। তবে স্পেকট্রামের মূল্য বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ফাইভজি কেবল কথা বলার, ইন্টারনেটে ব্রাউজ করার বা জীবনযাপনের ক্ষেত্রে ছোট্ট ঢেউ নয়; ফাইভজি চালু হলে দেশের জনগণ, শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কতভাবে কোন কোন স্তরে তা ব্যবহার করবে, সেটি এখনই ধারণা করা যায় না।

থ্রিজিতে কথা বলা যায় না, ফোরজির স্পিড মেলে না, টুজি ঠিকমতো কাজ করে না, নেটওয়ার্ক আসে নাÑ এমন অনেক অভিযোগের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবাদাতাদের যে গুণগত মানের সেবা দেওয়া উচিত ছিল, সে মানের সেবা দিতে এখনো সক্ষমতা দেখা যাচ্ছে না। এসব নিয়ে মানুষের অনেক অসন্তুষ্টি রয়েছে। একজন মন্ত্রী পর্যন্ত সংসদে দাঁড়িয়ে অপারেটরদের সমালোচনা করেছেন। সবাই বলছে, টুজি, থ্রিজি, ফোরজির নেটওয়ার্ক এখন পর্যন্ত গড়ে ওঠেনি, সেখানে ফাইভজি কেন? এটি স্পষ্ট করা দরকার। ফাইভজি ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভোল্যুশনের মহাসড়ক। টুজি, থ্রিজি, ফোরজির সার্ভিস কোয়ালিটি কতটা উন্নত করতে পারব, তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফাইভজির মহাসড়ক যথাসময়ে নির্মাণ করতে পারব কিনা।