চমেকের চিকিৎসক সেবিকারা নোবেল পাওয়ার যোগ্য

চট্টগ্রাম ব্যুরো
১৭ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ০০:৪৪

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের চিকিৎসক ও সেবিকারা নোবেল পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য বলে মনে করেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। গতকাল বুধবার দুপুরে হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের ১৫ শয্যার সিসিইউ-২ স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চিকিৎসক-সেবিকাদের নোবেল দেওয়ার বিষয়ে যুক্তি উপস্থাপন করে মেয়র বলেন, চমেক হাসপাতালে অনুমোদিত শয্যা আছে এক হাজার ৩০০টি; কিন্তু সে তুলনায় জনবল নেই। এখানে অনেক শূন্যপদে লোক নিয়োগ নেই। সীমিত জনবল দিয়ে প্রায় সাড়ে

ছয় হাজার রোগীকে সেবা দিচ্ছেন চিকিৎসক ও সেবিকারা। আমি মনে করি, চমেকে সেবায় নিয়োজিত এসব চিকিৎসক ও সেবিকাদের নোবেল পুরস্কার দেওয়া উচিত। তবে তিনি কতজন চিকিৎসক ও সেবিকা সেবা দিচ্ছেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য উপস্থাপন করেননি।

অনুষ্ঠানে চিকিৎসক ও চিকিৎসা খাতের বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, সাংবাদিকরা লেখেনÑ হাসপাতালের করিডরে রোগী কেন রাখা হয়? অনেক পত্রিকা-মিডিয়া ধারণার ওপর নির্ভর করে সংবাদ পরিবেশন করে। এর দ্বারা মানুষের কাছে ভুল মেসেজ যাচ্ছে। ডাক্তারদের ওপর চাপ তৈরি হয়। শতভাগ নিশ্চিত হয়ে তবেই নির্দিষ্ট ডাক্তারের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা উচিত। ঢালাওভাবে সব ডাক্তারের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা উচিত নয়। আর করিডরে রোগী না রেখে তো কোনো উপায় নেই। আর তা না হলে রোগীকে বিদায় করে দিতে হবে। যতটা সিট আছে, ততটা সেবা যদি দিতে হয়, সেবার মাত্রা অটোমেটিক্যালি তো বেড়ে যাবে। তা হলে এই গরিব লোকগুলো তো চিকিৎসা পাবে না, মৃত্যুর মুখে চলে যাবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহসিন উদ্দিন আহমেদ, বিএমএ চট্টগ্রামের সভাপতি ডা. মুজিবুল হক খান, মেডিক্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ প্রমুখ।