‘তুমি’ বলায় নোয়াখালী প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনিয়র-জুনিয়র মারামারি

আব্দুল কবীর ফারহান,নোবিপ্রবি প্রতিনিধি
২২ জানুয়ারি ২০২০ ২২:৫৩ | আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২০ ০৯:০১
তুমি বলে সম্বোধন করায় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সিনিয়র-জুনিয়র সংঘর্ষ। ছবি : আমাদের সময়

এক ব্যাচ সিনিয়রকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ম্যাসেঞ্জারে’ তুমি বলে সম্বোধন করায় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) ২০১৭-১৮ এবং ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের সিনিয়র জুনিয়র শিক্ষার্থীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

আজ বুধবার সকাল ১১টায় নোবিপ্রবি প্রশান্তি পার্ক কেন্টিনের সামনে বিশ্ববিদ্যালয় ১৩তম এবং ১৪ তম ব্যাচের দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে তুমুল মারামারি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

ওই দুজন ছাত্র হলেন, জুয়েল রানা ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ (২০১৭-১৮) এবং মো. জমির আলী বাংলা বিভাগ (২০১৮-১৯)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, এ সময় তারা একে অপরকে লাথি মারতে থাকে। তাদের উভয়কে মারামারির সময় উত্তেজিত অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও বাংলা বিভাগের প্রভাষক সাহানা রহমান। ঘটনার সময় অন্য দুই শিক্ষক এসে থামাতে চেষ্টা করলে তাদের উপেক্ষা করে উভয়েই মারামারির চেষ্টা করে।

ঘটনাস্থলে বিশ্ববিদ্যালের সিনিয়র কয়েকজন শিক্ষক এসে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে সবার বক্তব্য শুনার পর তাদের ব্যক্তিগত পরিচয়সহ ঘটনার পেছনের সূত্র লিখিত বক্তব্য আকারে নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয় প্রক্টরিয়াল টিম।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী নতুন বর্ষের (১৫ তম ব্যাচ) এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ম্যাসেঞ্জারে’ কথা বললে সিনিয়রকে তুমি বলে সম্বোধন করায় এই ঘটনার সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে সিনিয়র ওই শিক্ষার্থীর এক বন্ধু ফোনে তাকে দেখিয়ে নেওয়ার হুমকি দেয়। এ ছাড়া আজ প্রশান্তি পার্ক কেন্টিনে ডেকে চোখ তুলে ফেলারও হুমকি দেয় তাকে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সাহানা রহমান। তিনি দৈনিক আমাদের সময়কে বলেন, ‘ঘটনায় সম্পৃক্ত সকলের নামসহ অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এবং সবার কাছ থেকে লিখিত বক্তব্য নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রক্টরিয়াল টিম ঘটনা বিশ্লেষণ করে সকলের যথাযোগ্য শাস্তি নিশ্চিত করবে।’