চাকরির নামে প্রতারণা

২৩ জানুয়ারি ২০২০ ০১:০৫
আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২০ ১৩:৫৩

চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়া চক্রের ৩০ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। রাজধানীর উত্তরার ‘টুগেদার ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স’ নামে কথিত কোম্পানির অফিসে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সেই সঙ্গে উদ্ধার করা হয় ২০৩ ভুক্তভোগীকে। তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে চক্রটি ৫০ হাজার ৮০০ টাকা করে মোট হাতিয়েছে। তবে চক্রের প্রধান রাশেদুজ্জামান ও বক্সার কাশেম পলাতক।
র‌্যাব বলছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা মাঠপর্যায়ের সদস্য। প্রতারণাকেই তারা পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে। দেশের

বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেকার যুবকদের চাকরি দেওয়ার লোভনীয় প্রস্তাব দেয়। এর পর হাতিয়ে নেয় মোটা অঙ্কের অর্থ। চাকরিপ্রার্থীদের বলা হয়, এক মাসের মধ্যে প্রশিক্ষণ শেষ করে কাজে যোগ দেওয়ার সুযোগ পাবেন তারা। একসময় বুঝতে পারেন তারা প্রতারিত হয়েছেন। সেই অর্থ তুলতে গিয়ে চাকরিপ্রার্থীরাও প্রতারণায় জড়িয়ে পড়েন।
র‌্যাব-৪ সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানেই রয়েছে এ চক্রের অফিস। জিজ্ঞাসাবাদে তারা তাদের সংগঠন ও প্রতারণার কৌশল সম্পর্কে অনেক তথ্য দিয়েছে। তাদের নামে বিভিন্ন থানায় প্রতারণার মামলা আছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে তারা ঘন ঘন অফিস পরিবর্তন করে থাকে।’
গ্রেপ্তারকৃতরা হলোÑ বেলায়েত হোসেন, মো. শরীফ, মো. সাইফুল ইসলাম, একরামুল হাসান, গোলাম কিবরিয়া, মহাইমিনুল ইসলাম, সজীব শেখ, তারেক, মিঠুন বিশ^াস, ফয়সাল আল মাহমুদ, শফিকুল ইসলাম, সুমন সরকার, শান্ত চন্দ্র মিত্র, রেজভী আহম্মেদ, মহসীন হোসেন, লিটন দাশ, হালিম মিয়া, সুমন চাকমা, মেহেদী হাসান, আজিজুর রহমান, আমজাদ হোসেন, পলাশ হোসেন, মোশারফ হোসেন, আজাদ খান, মমিনুর রহমান, কনক মালাকার, সজীব বিশ^াস, সুমন হোসেন, ইমরান মোলা ও শফিকুল ইসলাম।