আইসোলেশনে ভর্তির তিন ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
১ এপ্রিল ২০২০ ০২:০১ | আপডেট: ১ এপ্রিল ২০২০ ০৮:০৭

শরীয়তপুরে আইসোলেশনে ভর্তি হওয়ার তিন ঘণ্টা পর এক ব্যক্তির (৩৫)  মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ওই ব্যক্তিকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। জ্বর, কাশি ও গলাব্যথা থাকায় তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। রাত সোয়া ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

ওই ব্যক্তি একটি বালু উত্তোলনের খননযন্ত্রের শ্রমিক। তার বাড়ি নড়িয়া উপজেলার একটি গ্রামে।

শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত ১৯ মার্চ কাশি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ওই ব্যক্তি। পরীক্ষায় তার যক্ষ্মা রোগ ধরা পড়ে। যক্ষ্মার চিকিৎসা দেওয়া হলে তিনি ২৩ মার্চ সদর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে চলে যান।

আজ মঙ্গলবার দুপুর থেকে তিনি শ্বাসকষ্টে ভুগতে থাকেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। তার অবস্থা খারাপ দেখলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর চিকিৎসকেরা ওই ব্যক্তিকে করোনা সন্দেহে আইসোলেশনে ভর্তি রাখেন।

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মুনির আহমেদ খান জানান, ওই ব্যক্তি শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে আসেন। তার শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। যেহেতু শ্বাসকষ্ট রয়েছে ও তিনি নড়িয়া উপজেলার বাসিন্দা, তাই করোনা থাকতে পারে এমন ধারণা করে তাকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছিল। বিষয়টি আইইডিসিআরকে জানানো হয়েছিল। তারা ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিল। চিকিৎসা দেওয়া অবস্থায় তিনি মারা যান। এখন তার নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআরে পাঠানো হবে।

শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন আবদুল্লাহ আল মুরাদ জানান, ওই যুবকের মরদেহ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দাফন করা হবে। তার পরিবার যে জায়গায় দাফন করতে আগ্রহী সেখানেই ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মীরা লাশ দাফন করে আসবেন। আইইডিসিআর থেকে ফলাফল পেতে দুই দিন সময় লাগতে পারে। এ কারণে অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশন স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে লাশ দাফন করবে।