গলাচিপার ১০ গ্রাম প্লাবিত, সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত ৪৬৮ ঘর

গলাচিপা প্রতিনিধি
২৩ মে ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২২ মে ২০২০ ২৩:৪৩

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে গলাচিপায় ঘরবাড়ি, বিদ্যালয়, গাছপালা, দোকানপাট, বেড়িবাঁধ ও রবিশস্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের সময় আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে গাছ চাপায় পানপট্টি ইউনিয়নের খরিদা গ্রামের ৫ বছরের শিশু রাশাদ নিহত হয়েছে। আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়ে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ ও কাচা রাস্তা দিয়ে পানি প্রবেশ করে বৃহস্পতিবার অন্তত ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ঝড়ে ৪৬৮টি কাঁচা ঘর সম্পূর্ণ ও ২ হাজার ৬২৪টি ঘর আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। মাছের ঘের ভেসে যাওয়ায় অনুমান কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। রতনদী তালতলী ইউনিয়নের মেমসাহেব নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের টিনশেড ভবন সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ছাড়া গলাচিপার বদনাতলী লঞ্চঘাটের ১২টি দোকান সম্পূর্ণ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। উপজেলার গোলখালী, রতনদীতালতলী, পানপট্টি ও ডাকুয়া ইউনিয়নের বেড়িবাঁধের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পেতে একটু সময় হবে। গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ মো. রফিকুল ইসলাম জানান, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ হিসাব নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। প্রাথমিকভাবে যে হিসাবে দেওয়া হয়েছে এর চেয়েও বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।