মুগদা মেডিকেলের তিন কর্মকর্তাকে বদলি, একজনকে ওএসডি

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ মে ২০২০ ০১:৫৮ | আপডেট: ২৪ মে ২০২০ ১১:১৫

মুগদা জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক শাহ গোলাম নবী তুহিনসহ দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে ওএসডি করা হয়ছে অপর এক চিকিৎসককে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

অধ্যাপক শাহ গোলাম নবী তুহিন মুগদা জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের পাশাপাশি মুগদা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। দুই দায়িত্ব থেকেই তাকে অব্যাহতি দিয়ে বদলি করা হয়েছে।

মুগদা জেনারেল হাসপাতালের করোনা চিকিৎসা বিষয়ক কমিটির সদস্যও ছিলেন তুহিন।

বদলি হওয়া অপর দুই কর্মকর্তা হলেন- হাসপাতালের কোভিড- ১৯ বিষয়ক কমিটির ফোকাল পার্সন ডা. মাহবুবুর রহমান কচি এবং নাক কান গলা বিভাগের চিকিৎসক ডা. মনি লাল আইচ লিটু। তিনিও হাসপাতালের কোভিড -১৯ বিষয়ক কমিটির সদস্য ছিলেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শারমিন আক্তার জাহান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিজ দায়িত্ব ও অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে মুগদা ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের পরিচালকের পদ থেকে অধ্যক্ষ অধ্যাপক শাহ গোলাম নবী তুহিনকে অব্যাহিত প্রদান করা হয়েছে। নতুন পরিচালক হিসেবে হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মো আবুল হাশেম শেখকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

চক্ষু বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো আব্দুল মোতালেবকে ওএসডি করা হয়েছে বলেও জানানো হয় ওই প্রজ্ঞাপনে। যদিও অন্যদের বদলির বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।

এদিকে জানা গেছে, মুগদা হাসপাতালের কোভিড -১৯ বিষয়ক কমিটির ফোকাল পার্সন ডা. মাহবুবুর রহমান কচিকে বদলি করা হয়েছে জামালপুরে। আর হাসপাতালের নাক কান গলা বিভাগের চিকিৎসক ও হাসপাতালের কোভিড -১৯ বিষয়ক কমিটির সদস্য ডা. মনি লাল আইচ লিটুকে বদলি করা হয়েছে সিলেটে।

অধ্যাপক ডা. শাহ গোলাম নবী তুহিনকে গাজীপুরে বদলির বিষয়টি গণমাধ্যমে তিনি নিজেই জানান। তুহিন বলেন, ‘প্রথমে ডা. মোতালেব সাহেবের ওএসডির অর্ডার পাই। এসব নিয়ে আলোচনার মাঝেই অর্ডার পাই আমাকে পরিচালকের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আমি পরিচালক হতেও চাইনি, কিন্তু বলা হলো, করোনার সময় হাসপাতাল চালাতে হবে। সে অনুযায়ী দিনরাত চেষ্টা করে হাসপাতাল ঠিকমতো চালাতে চেষ্টা করেছি। তবে সরকার যেটা আদেশ দিয়েছে তাই পালন করতে হবে এবং শিগগিরই সেখানে যোগ দিতে বলা হয়েছে।’

প্রশাসনিক কারণে মুগদা হাসপাতালের এই তিন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. হাবিবুর রহমান। বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলেও জানান তিনি।