শিমুলিয়া ঘাটে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৮ মে ২০২০ ১৫:৩০ | আপডেট: ২৮ মে ২০২০ ১৫:৩৬
শিমুলিয়া ঘাটে রাজধানীমুখী মানুষের ভিড়। ছবি : সংগৃহীত

ছুটি না বাড়ায় পরিবারের সাথে ঈদ কাটিয়ে রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। ফলে আজ বৃহস্পতিবার ভোর থেকে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে ঢল নেমেছে রাজধানীমুখী মানুষের।

৪টি রো রো, ৪টি কে-টাইপ ও ২টি মিডিয়ামসহ মোট ১০টি ফেরি দিয়ে স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে গাদাগাদি করে নদী পার হচ্ছে মানুষ। ফেরিগুলো কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে শিমুলিয়ায় আসছে। সেখানে গাড়ির সংখ্যা কম, যাত্রীর সংখ্যাই বেশি।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের এজিএস মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সকাল থেকে কাঁঠালবাড়ি থেকে হাজার হাজার মানুষ শিমুলিয়ায় আসছেন। পরিবারপরিজন নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই তারা আসছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকালে পদ্মায় ২ নম্বর সতর্কতা সংকেত উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে পদ্মা এখনও কিছুটা উত্তাল। বাতাসের কারণে সবগুলো ফেরি চলতে পারছে না। ফেরিগুলো যাওয়া আসায় সময় লাগছে বেশি। আমরা চেষ্টা করছি নির্বিঘ্নে পারাপারের। এ ছাড়া কর্ণফুলী নামে একটি ছোট ফেরি স্ট্যান্ডবাই রাখা আছে। জরুরি প্রয়োজনে এটি ব্যবহার করা হবে।’

এদিকে, যাত্রীরা শিমুলিয়া ঘাটে এসে পড়ছেন বিপাকে। গণপরিবহন না থাকায় তাদের ছোট গাড়ি, অটোরিকশা, সিএনজি, মোটরসাইকেল এমনকি পিকআপ বা ট্রাকে করেও গন্তব্যে রওনা দিতে দেখা গেছে। কেউ কেউ ঘাটে কোনো যানবাহন না পেয়ে পায়ে হেঁটেও রওনা দিয়েছেন। পর্যাপ্ত যানবাহন না থাকায় যাত্রীদের কয়েক গুণ বেশি ভাড়া গুণতে হচ্ছে।

মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সিরাজুল কবির বলেন, ‘আমরা যাত্রীদের নিরাপত্তায় কাজ করছি, কিন্তু যাত্রীরা শুনছেন না। কারও ধৈর্য নেই। ঘাটে এসে হুড়োহুড়ি করে তারা ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্ন যানে চড়ে গন্তব্যে রওনা দিচ্ছে। নৌপথে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।’