জ্বর নিয়ে ঢাকা থেকে রাতে বাড়ি এসে সকালেই মৃত্যু

কাজল আর্য,টাঙ্গাইল  প্রতিনিধি
১ জুন ২০২০ ১৬:৪৩ | আপডেট: ১ জুন ২০২০ ১৬:৫৫

টাঙ্গাইলে এসিল্যান্ডসহ একদিনে নতুন করে ১৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আজ সোমবার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া ২ ব্যক্তি করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। তার মধ্যে একজন রাতে উপসর্গ নিয়ে ঢাকা থেকে এসে ভোর রাতেই মারা যান।  

জেলার ভূঞাপুর ও কালিহাতীতে ২ জন করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যান। ভূঞাপুরের গোবিন্দাসী ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু জানিয়েছেন নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে কাজ করা একজন ঢাকা থেকে রাতে বাড়ি এসে ভোর রাতেই মারা যান। তিনি উপজেলার বিলচাপড়া গ্রামের চান মাহমুদের ছেলে খাজা নাজিম উদ্দিন তালুকদার (৬৫) ঢাকায় শ্যামলী পিসি কালচারে নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

চেয়ারম্যান জানান, রোববার অসুস্থতা বোধ করলে রাতে একটি প্রাইভেটকার ভাড়া করে বাড়ি আসেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মহীউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে কালিহাতী উপজেলার একজন মারা যান। মৃত ওমর আলীর (৪০) বাড়ি উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের নগরবাড়ী গ্রামে। কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাইদুর রহমান বলেন মৃত ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করা হবে।

এ ছাড়া জেলায় আজ নতুন করে ১৬ জন আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। আক্রান্তদের মধ্যে নাগরপুরে ৩ জন, ধনবাড়ীতে ৩, বাসাইলে ১, মধুপুরে ২, সদরে ১, ঘাটাইলে ৪ ও কালিহাতীতে ২ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা হলো ১৮১ জনে।

সিভিল সার্জন অফিস থেকে জানা যায়, গত ২৮ মে বৃহস্পতিবার ২২৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়। সোমবার ফলাফলে ১৬ জনের পজিটিভ আসে। আক্রান্তদের মধ্যে নাগরপুরের এসিল্যান্ড রয়েছেন।

এ পর্যন্ত জেলায় ৪ জন মারা গেছেন, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৬ জন এবং চিকিৎসাধীন ১৩১ জন। এছাড়া জেলা থেকে ঢাকায় পাঠানো ৫২৫৪ নমুনার মধ্যে ৪৮০০ নমুনার ফলাফল পাওয়া গেছে। ২৯, ৩০, ৩১ মে এবং ১ জুনের মোট ৪৫৪টি নমুনার রিপোর্ট আসেনি। হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন ১৮১৩ জন।