বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় ৯৭ ভাগ মানুষ

৩ জুলাই ২০২০ ০০:৪০
আপডেট: ৩ জুলাই ২০২০ ০০:৪০



বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, দেশে এখন ৯৭ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া প্রয়োজন। সচেতনতাই সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করবে। তরুণদের আগ্রহ এবং সচেতনতাই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে আরও সুসংহত করবে। প্রতিমন্ত্রী গত বুধবার রাতে কুমিল্লা
বিশ্ববিদ্যালয়ের সোশ্যাল রিসার্চ গ্রুপের আয়োজনে ‘বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক লাইভ ওয়েবিনারে তরুণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। তিনি এ সময় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ ও সম্ভাবনার ওপর আলোকপাত করেন। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক কৃষ্ণ কুমার সাহা অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মীর মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ২৩ হাজার ৪৩৬ (ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ) মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠী শতকরা ৯৭ ভাগে উন্নীত হয়েছে। ৫৮ লাখ সোলার হোম সিস্টেম স্থাপনের মাধ্যমে অফ-গ্রিড এলাকার মানুষের জন্য বিদ্যুৎ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও টেকসই জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ভারত থেকে ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে। নেপালের সঙ্গে দ্বিপাক্ষীয় বিদ্যুৎ বাণিজ্যের জন্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং একটি আইপিপি থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির জন্য আলোচনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে ত্রিদেশীয় সমঝোতা স্বাক্ষর চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।