বগুড়া ও যশোর উপনির্বাচনে জামানত হারালেন ৭ প্রার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক বগুড়া, যশোর ও সারিয়াকান্দি প্রতিনিধি
১৬ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২০ ২২:৪৬

বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) ও যশোর-৬ (কেশবপুর) শূন্য আসনের উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীসহ মোট ৭ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সংশ্লিষ্ট সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া বগুড়ার স্বতন্ত্র প্রার্থী ইয়াসির রহমতুল্লাহ ইন্তাজ। তিনি ট্রাক প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১ হাজার ৫৯৯ ভোট। এ ছাড়া জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া জাতীয় পার্টির প্রার্থী অধ্যক্ষ মোকছেদুল আলম লাঙল প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১ হাজার ২৫১ ভোট, খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী প্রভাষক নজরুল ইসলাম বটগাছ প্রতীকে পেয়েছেন ৪৭৪ ভোট এবং প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক পার্টির মো. রনি বাঘ প্রতীকে পেয়েছেন ১৮৪ ভোট।

এ দিকে বিএনপি প্রার্থী একেএম আহসানুল তৈয়ব জাকির (ধানের শীষ) নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেও ব্যালট পেপারে তার নাম ছবি ও প্রতীক থাকায় তিনি ভোট পেয়েছেন ৬৬৪ ভোট। নির্বাচনি বিধি অনুযায়ী তার জামানতও বাজেয়াপ্ত হবে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বগুড়া-১ আসনে সংসদ উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী প্রয়াত সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের সহধর্মিণী ও সারিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাহাদারা মান্নান বিজয়ী হয়েছেন। তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৯৫ ভোট। এ নির্বাচনে মোট ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এ দিকে যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ধানের শীষ ও লাঙল প্রতীকের দুই প্রার্থীর। বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন আজাদ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ হাজার ১২ ভোট। তবে বিএনপি কেন্দ্রীয়ভাবে নির্বাচন বর্জন করায় মাঠে ছিলেন না আবুল হোসেন আজাদ। অপর প্রার্থী জাতীয় পার্টির হাবিবুর রহমান লাঙল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ হাজার ৬৭৮।