টেস্ট ম্যাচের সংখ্যা কমছে?

ক্রীড়া প্রতিবেদক
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০৯:১৫
ব্যাটিং অনুশীলনে লিটন দাস

অপেক্ষার প্রহর শিগগির শেষ হচ্ছে না। শ্রীলংকা ক্রিকেটের (এসএলসি) পক্ষ থেকে এখনো নতুন ‘ট্যুর প্ল্যান’ পায়নি বিসিবি। নির্ধারিত সময়ে (২৭ সেপ্টেম্বর) তাই টাইগারদের শ্রীলংকাগামী বিমানে চড়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। জানা গেছে, শেষ পর্যন্ত সফর হলেও সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে। এমনকি টেস্ট ম্যাচের সংখ্যাও কমে যেতে পারে।

ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের তিনটা ম্যাচ খেলতে ২৭ সেপ্টেম্বর শ্রীলংকার উদ্দেশে উড়াল দেওয়ার কথা ছিল মুমিনুলদের। তবে করোনা ভাইরাসের কারণে কিছু শর্ত জুড়ে দেয় দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তারা বলছে, বাংলাদেশ দলের সবাইকে শ্রীলংকা পৌঁছানোর পর বাধ্যতামূলক ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। এ শর্ত মানতে রাজি নয় বিসিবি। নাজমুল হাসান পাপন বলছেন, সর্বোচ্চ ৭ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকা যেতে পারে। এ ছাড়া সময় এগিয়ে এলেও এখনো সফরসূচি চূড়ান্ত করেনি এসএলসি। তিন ম্যাচের টেস্ট কবে, কোথায় অনুষ্ঠিত হবে তা বিসিবিকে জানায়নি। সফরটা অনিশ্চয়তার দোলাচলে দুললেও বিসিবি শ্রীলংকা সফর হবে ধরে নিয়েই এগোচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর অধীনে দলগত অনুশীলন শুরু করে দিয়েছেন মুমিনুল-তামিমরা।

তবে এসএলসির পক্ষ থেকে বিসিবির সঙ্গে যোগাযোগ না করায় সফরের ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়েছে। সফর হলেও সূচিতে পরিবর্তন এবং একটি টেস্ট ম্যাচ কমে যেতে পারে বলে বাতাসে গুঞ্জন ডালপালা মেলেছে। এমনটাও জানা গেছে, টেস্ট মাসখানেক পিছিয়ে যেতে পারে। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ২৪ অক্টোবর প্রথম টেস্ট মাঠে গড়ানোর কথা ছিল। লংকান ঘরোয়া ক্রিকেট ঠিক রাখতেই তারা বিসিবিকে এমন প্রস্তাব দিতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত যদি শ্রীলংকা সফর না হয় তা হলে বিকল্প পরিকল্পনা করে রেখেছে বিসিবি। নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন (বিসিবির সিইও) একদিন আগেই জানিয়েছেন, ঘরোয়া ক্রিকেট শুরুর চিন্তাভাবনা রয়েছে তাদের। তবে এখনই নেতিবাচক কিছু ভাবতে চাইছে না বিসিবি। তারা এসএলসির কাছ থেকে উত্তর পাওয়ার অপেক্ষায় আছে। এর আগে ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির প্রধান জানিয়েছিলেন, দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সবুজ সংকেত দিলে তবেই তো এসএলসি যোগাযোগ করবে। হয়তো এখনো সবুজ সংকেত পায়নি এসএলসি। আর সে কারণেই তারা বিসিবিকে উত্তর পাঠায়নি। তবে এসএলসি বাংলাদেশ দলকে আতিথ্য দিতে আগ্রহী তা তাদের তৎপরতা দেখেই বোঝা গেছে! শেষ পর্যন্ত কী উত্তর পাঠায় লংকান বোর্ড সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।