চ্যাম্পিয়নস লিগে মেসি রোনালদোর মহারণ

স্পোর্টস ডেস্ক
২ অক্টোবর ২০২০ ০৪:১২ | আপডেট: ২ অক্টোবর ২০২০ ০৮:২৮

ইউরোপের বর্ষসেরা ফুটবলার (উয়েফা ম্যানস প্লেয়ার অফ দ্য ইয়ার) হয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখের পোলিশ ফুটবলার রবার্ট লেভানডফস্কি। ২০১৯-২০২০ মৌসুমে অবিশ্বাস্য ফুটবল খেলেছেন তিনি। বায়ার্ন মিউনিখ ওই মৌসুমে ট্রেবলও জয় করে। জার্মান কাপ, বুন্দেসলিগা ও উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতে বায়ার্ন লেভানডফস্কির অবিশ্বাস্য নৈপুণ্যে। উয়েফার হেডকোয়ার্টার সুইজারল্যান্ডের নিয়নে লেভানডফস্কি ইউরোপ সেরার ট্রফিটি গ্রহণ করেন। প্রতিবারের মত এবারও উপস্থাপিকা হিসেবে হাজির ছিলেন রেশমিন চৌধুরী। যিনি বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত।

অসাধারণ একটি মৌসুম পার করেছেন লেভানডফস্কি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৭টি ম্যাচে ৫৫ গোল করেন। শুধু চ্যাম্পিয়নস লিগেই ছিল তার ১৫টি গোল (শীর্ষ গোলদাতা)। এদিকে গত ১৫ বছর ধরে ফুটবল বিশ্বকে মোহিত করে রাখা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ২০২০-২০২১ মৌসুমে গ্রুপ পর্বে প্রথমবারের মত মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। চ্যাম্পিয়নস লিগের ড্র হয়েছে। একই গ্রুপে রয়েছে (জি) জুভেন্টাস, বার্সেলোনা, ডায়নামো কিয়েভ ও ফেরেঙ্কভারোস। ৩২টি দল গ্রুপ পর্বে খেলবে। ২০ অক্টোবর চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুম শুরু হবে।

রোনালদো রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়েছেন অনেক দিন হয়েছে। ফলে লা লিগার এল ক্ল্যাসিকোতে দেখা হয় না হালের দুই সেরা ফুটবলারের। রোনালদো জুভেন্টাসে আসার পর এই প্রথম বার্সেলোনার মুখোমুখি হচ্ছেন। রোনালদো ও মেসির লড়াই মানেই অন্যরকম পাওয়া ফুটবল প্রেমীদের জন্য। রোনালদোর বয়স এখন ৩৫। অন্যদিকে মেসির চলছে ৩৩। আর খুব বেশিদিন হয়তো এই দুজন বড় মঞ্চে খেলবেন না। ফুটবলে এতো বছরের দ্বৈরথ আগে কখনো কেউ দেখেনি। গতকাল যখন একই গ্রুপে জুভেন্টাস-বার্সেলোনা পড়ার খবরটি আসে, এর পরেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ফুটবল প্রেমীদের মধ্যে রোমাঞ্চ খেলা করা শুরু করে। উয়েফার বর্ষসেরা কোচ হয়েছেন বায়ার্নের ফ্লিক ও বর্ষসেরা গোলকিপার হয়েছেন নয়্যার।

প্যারিস সেইন্ট জার্মেইকে হারিয়ে গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতে বায়ার্ন মিউনিখ। এবার তাদের ‘এ’ গ্রুপে অপর তিনটি ক্লাব হচ্ছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, সলজবুর্গ ও লোকোমোটিভ মস্কো। রিয়াল মাদ্রিদের গ্রুপে অবস্থান করছে শাখতার দোনেৎস্ক, ইন্টারমিলান ও বরুশিয়া মনশেনগ্লাডবাখ।

চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্ব (২০২০-২০২১)

‘এ’ : বায়ার্ন মিউনিখ, অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, সলজবুর্গ, লোকোমোটিভ মস্কো।

‘বি’ : রিয়াল মাদ্রিদ, শাখতার দোনেৎস্ক, ইন্টারমিলান, বরুশিয়া মনশেনগ্লাডবাখ।

‘সি’ : পোর্তো, ম্যানচেস্টার সিটি, অলিম্পিয়াকোস, মার্শেই।

‘ডি’ : লিভারপুল, আয়াক্স, আটালান্টা, মিডজিল্যান্ড।

‘ই’ : সেভিয়া, চেলসি, ক্রানসনোদোর, রেঁনে।

‘এফ’ : জেনিথ সেন্ট পিটার্সবার্গ, বরুশিয়া ডর্টমুন্ড, ল্যাজিও, ক্লাব ব্রাগে।

‘জি’ : জুভেন্টাস, বার্সেলোনা, ডায়নামো কিয়েভ, ফেরেঙ্কভারোস।

‘এইচ’ : প্যারিস সেইন্ট জার্মেই, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, লিপজিগ, ইস্তানবুল বাসাকসেহির।