বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা অনলাইনে নিতে চান উপাচার্যরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ অক্টোবর ২০২০ ২১:৪৭ | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২০ ০০:১৫
পুরোনো ছবি

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপাচার্যদের সংগঠন। আজ শনিবার বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের ভার্চ্যুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভর্তি পরীক্ষা অনলাইনে নেওয়ার বিষয়েও নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যরা। তবে বিষয়টি চূড়ান্ত হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সঙ্গে আলোচনা করে। ভর্তি পরীক্ষাটি হবে বহুনির্বাচনী প্রশ্নের (এমসিকিউ) ভিত্তিতে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন উর রশিদ গণমাধ্যমে জানান, প্রথমত নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে সমন্বিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা হবে অনলাইনে। কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়কে আলাদা গুচ্ছ করে এই ভর্তি পরীক্ষা হবে। আর ভর্তি পরীক্ষাটি হবে বহুনির্বাচনী প্রশ্নের (এমসিকিউ) ভিত্তিতে।

অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক মুনাজ আহমেদ নূরের নেতৃত্বে তৈরি করা সফটওয়্যারকে কাজে লাগানো হতে পারে বলে জানা গেছে। কবে এ পরীক্ষা নেওয়া হবে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মুহাম্মদ রফিকুল আলম জানান, এটি নির্ভর করছে এইচএসসির মূল্যায়নের ফল কবে প্রকাশ করা হবে তার ওপর। এ বিষয়ে আগামী মাসে আরেকটি সভা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য মুনাজ আহমেদ নূর এ বিষয়ে বলেন, ‘করোনাভাইরাসের বর্তমান পরিস্থিতিতে সশরীরে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়। এ জন্য সীমাবদ্ধতা মাথায় নিয়ে এই সফটওয়্যারের ভিত্তিতে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা নিতে বলা হয়েছে। এর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সেটিকে আরও যুগোপযোগী করে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব। আর এই সফটওয়্যারে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্যবহার করা হয়েছে।’

সম্প্রতি করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সরকার উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষা না নিয়েই গ্রেড দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল দেওয়া হবে বলে জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রক্রিয়া নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।