৩০ বছর পর হেরে সংবাদ সম্মেলনে কাঁদলেন কাউন্সিলর প্রার্থী

পিরোজপুর প্রতিনিধি
২১ জানুয়ারি ২০২১ ১৭:২৫ | আপডেট: ২১ জানুয়ারি ২০২১ ২৩:২৫
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করছেন মিনারা বেগম। ছবি : আমাদের সময়

পিরোজপুর পৌরসভার সংরক্ষিত ২ নম্বর ওয়ার্ডে (৪, ৫ ও ৬ সাধারণ ওয়ার্ড) দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে কাউন্সিলর ছিলেন মিনারা বেগম। দীর্ঘদিন জনগণের সেবা করা এ প্রার্থী গত শনিবার অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনে হেরে গেছেন। তার এ হারের পেছনে বিজয়ী প্রার্থীর অবৈধ টাকা এবং পেশিশক্তি ব্যবহারকে দায়ী করেছেন তিনি। এ অভিযোগ করতে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে কেঁদেও ফেলেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে পিরোজপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন মিনারা বেগম। সেখানে আবেগাপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলেন তিনি। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান মিনারা বেগম দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ৬ বার পিরোজপুর পৌরসভার কাউন্সিলর ছিলেন। গত ১০ বছর ছিলেন প্যানেল মেয়র। এ বছরও তিনি পিরোজপুর পৌরসভার সংরক্ষিত ২ নম্বর ওয়ার্ড (সাধারণ ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড) থেকে সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন।

লিখিত বক্তব্যে মিনারা বেগম অভিযোগ করেন, ‘নির্বাচনে বিজয়ী জবাফুল প্রতীকের প্রার্থী প্রচুর পরিমাণে অবৈধ অর্থ ব্যয় করে পৌরসভার ৬ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডের দুইটি কেন্দ্রে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের যোগসাজসে অনিয়ম করে তাকে পরাজিত করেছেন। এ ছাড়া ওই কেন্দ্রগুলোতে তার এজেন্টদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও ভয়ভীতি দিয়ে তাদেরকে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং ভোট প্রদানে বাধা দেওয়া হয়েছে।’

তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কোনো প্রতিকার পাননি। এমনকি একটি কেন্দ্র থেকে প্রদানকৃত ফলাফলে প্রিজাইডিং অফিসার স্বাক্ষর না করে ফলাফলের শিট দিয়ে দেন।

মিনারা বেগমের দাবি, জনগণ তাকে ঠিকই ভোট দিয়েছেন। তবে প্রচুর অর্থ ও পেশিশক্তির মাধ্যমে তাকে নির্বাচনে পরাজিত করা হয়েছে।