চালের হিসাবে গরমিল

উপযুক্ত ব্যবস্থা নিন

 

২০ অক্টোবর ২০১৭, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

কয়েক মাস ধরেই চালের বাজার অস্থির। দুটি বন্যা ও ব্লাস্ট রোগে দেশে ২০ লাখ টনের মতো চালের ক্ষতি হয়েছে বলে সরকারি হিসাবেই বলা হয়েছে। এতে স্বাভাবিকভাবেই ঘাটতি দেখা দেয়। ঘাটতি পূরণে সরকার বিদেশ থেকে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। আমদানির পরও চালের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ করা যায়নি। চাহিদা অনুযায়ী আমদানির পরও বাজারে চালের দাম বেড়ে যাওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। অথচ গতকাল আমাদের সময়ের প্রতিবেদন বলছে অন্য কথা। জনপ্রতি চালের চাহিদা ও মোট জনসংখ্যার সঙ্গে দেশে চালের উৎপাদন এবং সরবরাহের হিসাব মিলছে না। অর্থাৎ চালের হিসাবে গরমিল রয়েছে। এমনকি সরকারের বিভিন্ন সংস্থার তথ্যের মধ্যেও গরমিল রয়েছে।

কিছুদিন আগেও সরকারিভাবে বলা হয়, দেশ চালে স্বয়ংসম্পূর্ণ। কিন্তু বছরে যে পরিমাণ চাল উৎপাদন হয়েছে বলে জানানো হচ্ছে, বাস্তবে উৎপাদন হয়েছে আরও কম। অভিযোগ রয়েছে, জনসংখ্যা কম দেখানোরও। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে যে পণ্যের ঘাটতি ও চাহিদা বেশি থাকে, ব্যবসায়ীরা মূলত সে ধরনের পণ্য আমদানি করেন। তবে এই আমদানি কী পরিমাণ হবে তা নির্ভর করছে বিশ্ববাজারে পণ্যের দামের ওঠানামা এবং দেশীয় বাজারে বিদ্যমান দামের ওপর। তাই চাহিদা ও মজুদ যথাযথ পর্যালোচনা করতে হবে। তা না হলে সংকট বাড়বে।

আপাতত সংকট থেকে দ্রুত উত্তরণের ব্যবস্থা করতে হবে। সাধারণ নাগরিকদের বিড়ম্বনা দূর করতে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা ভেবে দেখা দরকার। হিসাবের গরমিলের যে অভিযোগ উঠেছে, তাও খতিয়ে দেখে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে