বাংলাদেশ পিছিয়ে কর-জিডিপিতে

  ইশরাতুল জাহান

২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় আহরণ করা করের অনুপাত বাংলাদেশে একেবারেই কম। প্রতিবেশী দেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের তুলনায় এ অনুপাত বাংলাদেশে সর্বনিম্ন। আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউট লুক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১৬ সালে বিভিন্ন দেশে কর জিডিপি অনুপাত বিশ্লেষণ করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈশ্বিক গড় কর জিডিপির অনুপাত ১৫.৮ শতাংশ। এর বেশিরভাগই উন্নত দেশ ও ইউরোপের দেশগুলো থেকে আসছে। এশীয় অঞ্চলে কর জিডিপির অনুপাত তুলনামূলকভাবে কম। এর মধ্যে শ্রীলংকায় ১২.১২, পাকিস্তানে ১০, তুরস্কে ২১.৮, থাইল্যান্ডে ১৬.৫, লাওসে ১৬.১, ফিলিপাইনে ১৩.৬, ভারতে ১৬.৬ এবং বাংলাদেশে ৮.৮।

তবে মোট রাজস্ব জিডিপির অনুপাতে বাংলাদেশ সামান্য এগিয়ে আছে। এ অনুপাত ১০.৭। তার পরও অন্য দেশগুলোর তুলনায়ও সর্বনিম্নে। উন্নত দেশগুলোতে গড়ে এ হার ৩৬.৪ শতাংশ, উদীয়মান ও উন্নয়নশীল এশিয়ার দেশগুলোতে ২৫.৬ শতাংশ, সাব সাহারা আফ্রিকার দেশগুলোতে এ হার ১৯.৮ শতাংশ, ভারতে ১৯.৯ শতাংশ, নেপালে ১৯.৪ শতাংশ, পাকিস্তানে ১৩.৮ শতাংশ, শ্রীলংকায় ১২.৮ শতাংশ, এমনকি মালদ্বীপের তুলনায়ও বাংলাদেশের কর জিডিপির হার কম।

রাজস্ব জিডিপির হার বাড়াতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন সংস্কার কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। এগুলো সম্পন্ন হলে কর আদায় বাড়বে বলে অনেকে মনে করেন। গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এ হার ছিল ৯.৯৮ শতাংশ, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১১.২ শতাংশ। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এ হার ১৩.৫ শতাংশের মধ্যে রাখার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোর আওতায় আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৩.৫ শতাংশ এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১৪.১ শতাংশে উন্নীত করতে চায় সরকার। সেই লক্ষ্যে কাজও শুরু হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে