নির্বাচন স্থগিতে ভূমিকা নেই

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১৮ জানুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১৮ জানুয়ারি ২০১৮, ০০:২৪ | প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন স্থগিত আদেশের পেছনে সরকারের ভূমিকা নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এতে সরকারের যোগসাজশের বিষয় নেই। এই নোংরা পলিটিক্স করি না, বিশ্বাসও করি না। গতকাল হাইকোর্টের আদেশের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

দুই সিটিতে নতুন যুক্ত হওয়া ৩৬টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর নির্বাচনে কারা আওয়ামী লীগের প্রার্থী তা জানতেই বুধবার ধানম-িতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন ওবায়দুল কাদের। সেখানেই সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় নির্বাচনের এক বছরেরও কম সময় বাকি থাকতে ঢাকা সিটি করপোরেশনের মতো একটি স্পর্শকাতর জায়গায় ভোট করার ঝুঁকি আওয়ামী লীগ নেবে কিনা, তা নিয়ে গুঞ্জন চলছিল বেশ কিছু দিন ধরেই। এর মধ্যে বেরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম নির্বাচন আটকাতে রিট করলে সেই গুঞ্জন নতুন মাত্রা পায়।

এ বিষয়টি তুলে ধরে সাংবাদিকরা কাদেরের কাছে সরাসরিই জানতে চান, ওই মামলার পেছনে সরকারের কোনো ভূমিকা ছিল কিনা।

অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, সব কিছুতে সরকারের যোগসাজশ আবিষ্কার করেন কেন? আদালতের রায়কে আমরা সম্মান করি বলেই আজকে কাউন্সিলরের প্রার্থী ঘোষণা করতে এসেও করিনি।

আরেক প্রশ্নে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, হাইকোর্ট নির্বাচন তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছেন। হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত যতক্ষণ বহাল থাকবে, এ সময়ের মধ্যে কাউন্সিলরদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হলে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করা হবে। তাই কাউন্সিলরদের নাম এ মুহূর্তে ঘোষণা করা হবে না। তিনি বলেন, যদি হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়, তখন আমাদের প্রস্তুতকৃত তালিকা আমরা প্রকাশ করব।

জাতীয় নির্বাচনের আগে ডিএনসিসি নির্বাচন বাস্তবসম্মত হবে কিনা, এমন প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটি নির্বাচন কমিশনের বিষয়, তারাই জানে। আদালতের নির্দেশে যেখানে স্থগিত হয়েছে, সেখানে এ নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই।

এ সময় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে চাইলে কাদের বলেন, আমি খোঁজখবর নিচ্ছি। এর সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বয়স ২৯ বছরই থাকছে বলেও জানান কাদের।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে