ইন্টারনেটের ধীরগতি থাকবে তিন দিন

  নিজস্ব প্রতিবেদক

২৩ অক্টোবর ২০১৭, ০০:০০ | আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০১৭, ০০:২৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল (সিমিইউ-৪) রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আগামী মঙ্গল থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ইন্টারনেটের ধীরগতি থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। গতকাল সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

দেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল ১২ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো দীর্ঘ সময়ের জন্য বিচ্ছিন্ন থাকাকালে পটুয়াখালীতে স্থাপিত দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের (সিমিইউ-৫) ল্যান্ডিং স্টেশনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযুক্ত থাকবে। এ প্রসঙ্গে তারানা বলেন, সিমিইউ-৪ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ইন্টারনেট থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকব না। যেহেতু সিমিইউ ৫-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছি, সে কারণে আমরা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হচ্ছি না। কেবল গতি সেøা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আমাদের আইটিসি লাইসেন্সধারীরা আছে। এতে খুব বেশি সমস্যা হবে না।

বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো সাবমেরিন ক্যাবল ‘সিমিইউ-৪’-এ যুক্ত হয় ২০০৫ সালে, যার মাধ্যমে ২৫০ জিবিপিএস (গিগাবাইট পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইডথ পাওয়া যাচ্ছে। এটি ছাড়াও বাংলাদেশ ছয়টি বিকল্প সাবমেরিন ক্যাবলের (আইটিসি বা ইন্টারন্যাশনাল টেরিস্ট্রিয়াল ক্যাবল) সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। আর গত ১০ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার গোড়া আমখোলাপাড়ায় চালু হয়েছে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন। এর মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য-পশ্চিম ইউরোপের (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫) আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের সাবমেরিন ক্যাবল থেকে সেকেন্ডে ১৫০০ গিগাবাইট (জিবি) গতির ইন্টারনেট পাবে বাংলাদেশ।

দেশে ইন্টারনেট চাহিদা ৪০০ জিবিপিএসের বেশি। এর মধ্যে ১২০ জিবিপিএস এতদিন আসছিল রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি বিএসসিসিএলের মাধ্যমে। বাকি ২৮০ জিবিপিএস আইটিসির ব্যান্ডউইডথ ভারত থেকে আমদানি করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাবমেরিন ক্যাবলের ব্যান্ডউইডথের দাম কমানোর নির্দেশনা দিয়েছি। আমরা রপ্তানি করব, আমদানি কমাবÑ যাতে আইটিসিগুলো আমাদের কাছে ব্যান্ডউইডথ নেয়। চাহিদা সৃষ্টি হলে আমাদের ক্যাপাসিটি আছে, চাহিদানুযায়ী ব্যান্ডউইডথ দিতে পারব।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে