দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইপিজেড হচ্ছে চাঁদপুরে

  এম এ লতিফ, চাঁদপুর

১৮ এপ্রিল ২০১৭, ০০:০০ | আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০১৭, ০০:৩২ | প্রিন্ট সংস্করণ

‘চাঁদপুর সিটি অব হিলশা’ বা ‘ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর’ ও ব্র্যান্ডিং জেলা চাঁদপুর অনুমোদনের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে অনুমোদন পেল চাঁদপুর। যদিও এক সময় গেটওয়ে টু ইস্টার্ন ইন্ডিয়া নামে পরিচিত প্রাচীন বাণিজ্যিক শহর ছিল চাঁদপুর। কালের আবর্তে এখন তা শুধুই অতীত। দীর্ঘদিন পর হলেও গত ৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পরিচালক-১ সামিউল হাসান স্বাক্ষরিত এক পত্রে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. আবদুুস সবুর ম-লকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তথ্যানুযায়ী, চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ৩৯৯৯ দশমিক ৬০ একর ভূমি অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, হাইমচরের ৪৭০০ একর ভূমি নিয়ে আরেকটি অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে ইতোমধ্যে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রস্তাবনা পাঠিয়েছেন।

চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্র জানায়, মতলব উত্তর উপজেলার নাছিরকান্দি, নাছিরকান্দি উত্তর, বাহেরচর, উত্তর বোরোচর, নাপিতমারা, চরইদ্রিস, চরইলিয়ট, দিয়ারা বোরোচর ও দক্ষিণ বোরোচরের ৩ হাজার ৯৯৯ দশমিক ৬০ একর ভূমিতে প্রতিষ্ঠিত হবে এ অর্থনৈতিক অঞ্চল। এতে করে ইলিশের রাজধানী হিসেবে সারা বিশে^ পরিচিতি ও সম্ভাবনার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এ দুটি কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে জেলার বহু মানুষের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নও হবে।

সূত্র আরও জানায়, দেশের সার্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তথা শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার উদ্দেশ্যে চাঁদপুরের মতলবে অর্থনৈতিক অঞ্চল করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. আবদুুস সবুর ম-ল বলেন, শুধু মতলবেই নয়, হাইমচরের অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। এ দুটি বাস্তবায়িত হলে চাঁদপুর হবে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল। তিনি বলেন, ইতিপূর্বে প্রধানমন্ত্রী ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরকে দেশের প্রথম ব্র্যান্ডিং জেলা হিসেবে অনুমোদন দিয়েছেন। তাই আশা করছি, অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে বাস্তবায়িত হলে চাঁদপুরের গুরুত্ব দ্রুত বেড়ে যাবে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে