জীবিতকে মৃত দেখিয়ে প্রতিবেদন

আখাউড়ার ওসিকে হাজির হওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

  আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

১৮ জুলাই ২০১৭, ০০:০০ | আপডেট : ১৮ জুলাই ২০১৭, ০০:৪২ | প্রিন্ট সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় হজে গমনেচ্ছু এক জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখিয়ে পুলিশ প্রতিবেদন দেওয়ার ঘটনায় আখাউড়া থানার ওসি মোশাররফ হোসেনকে সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত। গতকাল সোমবার সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একই ঘটনায় স্বরাষ্ট্র সচিব, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের আইজিপি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ সুপার বরাবরে রুল ইস্যু করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ওই ব্যক্তি হলেনÑ উপজেলার বড়কুড়িপাইকা গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার ছেলে মো. আজাদ হোসেন ভূঁইয়া। তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. কায়সার জাহিদ মোবাইল ফোনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আজাদ হোসেন ভূঁইয়ার আইনজীবী মো. কায়সার জাহিদ হোসেন বলেন, এ বছর হজে যাওয়ার জন্য আজাদ হোসেন ভূঁইয়া নিবন্ধন করেন। কিন্তু আখাউড়া থানার পুলিশ আজাদ হোসেন ভূঁইয়াকে ‘ইন্তেকাল করিয়াছেন’ মর্মে প্রতিবেদন দেওয়ায় তার হজগমনে জটিলতার সৃষ্টি হয়। পুলিশ প্রতিবেদন সংশোধন করে দেওয়ার জন্য গত ৩ জুলাই আখাউড়া থানার ওসি মো. মোশাররফ হোসেন তরফদারকে ডিমান্ড নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু ওসি ডিমান্ড নোটিশের জবাবও দেননি এবং প্রতিবেদনও সংশোধন করেননি। ন্যায়বিচার পাওয়ার লক্ষ্যে আজাদ হোসেনের পক্ষে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন করা হয়।
মো. আজাদ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, থানা থেকে এসআই আবুল কালাম আজাদ ফোন করে আমাকে পুলিশ প্রতিবেদন নেওয়ার জন্য থানায় যেতে বলেছিলেন। কিন্তু আমি ব্যস্ততার কারণে যেতে পারিনি। পুলিশকে ‘খুশি’ না করায় আমাকে মৃত দেখিয়ে প্রতিবেদন দেয়।
এ ব্যাপারে আখাউড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আরিফুল আমিন বলেন, আজাদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের বিষয়টি আসলে কম্পিউটারের প্রিন্টিংয়ের কারণে ভুল হয়েছিল।

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে