বন্যাদুর্গত এলাকায় খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট

  আমাদের সময় ডেস্ক

১৮ জুলাই ২০১৭, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে সৃষ্ট বন্যার পানি তিন দিন ধরে কমছে। তবে এখনো অনেক এলাকা পানিতে তলিয়ে রয়েছে। পানি কমলেও দুর্ভোগ কমেনি। দুর্গত এলাকায় খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বাড়ছে পানিবাহিত রোগব্যাধি। এখনো অনেক এলাকায় ত্রাণ পৌঁছেনি। বন্যাদুর্গত মানুষ গরু, হাঁস-মুরগি নিয়ে খেয়ে না খেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তারা আরও বেশি ত্রাণ এবং স্বল্পমূল্যে খাবারের দাবি জানিয়েছেন।

বগুড়া : বগুড়ার তিন উপজেলায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও যমুনা নদীর পানি এখনো বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা বলেছেন, সারিয়াকান্দিতে যমুনা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নতুন করে কোনো এলাকা প্লাবিত না হলেও বন্যাকবলিতরা দুর্ভোগে রয়েছেন। পানি কমতে শুরু করলেও বানভাসিরা বাড়িঘরে ফিরতে পারছেন না। এখন বিভিন্ন এলাকায় কোমরসমান পানি রয়েছে। সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, এবারের বন্যায় ৯ ইউনিয়নের ৫৮টি গ্রামের ১১ হাজার ৭১০ পরিবারের ৪৭ হাজার ৮১০ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৪৮০টি ঘরাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ও ১৫ হাজার ৫২০ কৃষক পরিবারের ৩ হাজার ৮৭৫ হেক্টর জমি ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়াও ৫৯ কিলোমিটার কাঁচা ও ৫ কিলোমিটার পাকা রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ৫৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ ৫৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পানিবন্দি রয়েছে। ৮৭৫টি টিউবওয়েল ও ৬১টি পুকুর বন্যার পানিতে ডুবে গেছে। বন্যার কারণে ৩ হাজার ৩৭৫টি পরিবার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে এবং ৭৬৫টি পরিবার বিভিন্ন আশ্রয়ণ প্রকল্পে আশ্রয় নিয়েছে। বন্যা আক্রান্ত পরিবারগুলোকে সরকারিভাবে সহায়তা করার জন্য বরাদ্দ দেওয়া ২০০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্যের মধ্যে ৯৬ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। বাকি ১০৪ মেট্রিক টন চালও বিতরণ করা হচ্ছে পর্যায়ক্রমে। তিন লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। ১ হাজার ৫৫০ প্যাকেট শুকনা খাবার বরাদ্দ আছে।

উপজেলার যমুনা নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে বানভাসিরা আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। বাড়িঘর থেকে এখনো পানি না নামায় বাঁধেই সংসার পেতেছেন বানভাসিরা।

টাঙ্গাইল : উজান থেকে নেমে আসা ঢলে যমুনা ও ধলেশ^রী নদীর পানি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়ে টাঙ্গাইলের কয়েকটি উপজেলায় সৃষ্টি হয়েছে বন্যা। নদীর তীব্র স্রোতে একদিকে যেমন নদীতে বিলীন হচ্ছে মানুষের বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট স্থাপনা, তেমনি অন্যদিক পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ। কিন্তু সরকারি ত্রাণ কিংবা সাহায্য নেই বললেই চলে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, টাঙ্গাইলে ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা, গাবসারা, গোবিন্দাসী, কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর, গোহালিয়াবাড়ী, দশকিয়া, সল্লা, এলেঙ্গা পৌরসভার কিছু অংশ ও টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া, হুগড়া, মগড়া ইউনিয়নের বেশ কিছু গ্রাম ভয়াবহ বন্যাকবলিত। এসব এলাকার মানুষের থাকার শত শত বাড়িঘর, গ্রামীণ রাস্তাঘাট, বিদ্যালয়সহ অনেক স্থাপনা ইতোমধ্যে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। সহায়-সম্বল হারিয়ে অনেক পরিবার আশ্রয় নিয়েছে অন্যের বাড়িতে কিংবা রাস্তায় খোলা আকাশের নিচে। স্বাভাবিক জনজীবন চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্ধ রয়েছে পাঠদান। নষ্ট হয়ে গেছে কয়েক হাজার একর জমির আবাদি ফসল।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহজাহান সিরাজ বলেন, গতকাল সোমবার পর্যন্ত টাঙ্গাইলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। কালিহাতীর যোকারচর পয়েন্টে ১৪ সেন্টিমিটার পর্যন্ত পানি কমেছে। আমরা বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। তবে পানির স্রোতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক স্থানে মেরামতের কাজ করা যাচ্ছে না।

কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু নাসার উদ্দিন বলেন, বন্যাদুর্গত মানুষদের জরুরি ভিত্তিতে সাহায্য প্রদানের জন্য আমরা জেলা প্রশাসন এবং ত্রাণ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছি। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে আছি।

গাইবান্ধা: গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি কমা অব্যাহত রয়েছে। এতে জেলার বন্যা পরিস্থিতিরও সামান্য উন্নতি হয়েছে। কিন্তু পানিবন্দি হয়ে থাকা আড়াই লাখ মানুষের দুর্ভোগ কমছে না। দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সংকট দেখা দিয়েছে, পাশাপাশি ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন পানিবাহিত রোগও। গতকাল সোমবার সরেজমিন এ চিত্র দেখা গেছে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার থেকে পানি কমা শুরু হয়। এতে শনি ও রবিবার জেলার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের ডুবে থাকা ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, রাস্তাঘাট জেগে উঠতে শুরু করে। এ দুই দিনে অন্তত ২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পানি নেমে গেছে। ভিটেমাটি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেওয়া লোকজনও নিজেদের বাড়িঘরে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, তারা বিশুদ্ধ পানি ও খাবার পাচ্ছেন না। এ ছাড়া পানিবাহিত নানা রোগেও আক্রান্ত হচ্ছেন। পাটসহ অন্যান্য ফসল নষ্ট হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন অনেকে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহাবুবুর রহমান বলেন, সোমবার সকাল পর্যন্ত ব্রক্ষপুত্র-যুমনা নদীর পানি ফুলছড়ি পয়েন্টে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী দুই-তিন দিন পানি কমা অব্যাহত থাকলে জেলার বন্যা পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হবে। তিনি আরও বলেন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও নদীভাঙন ঠেকাতে কাজ করা হচ্ছে। এ ছাড়া ভাঙনরোধে স্থায়ী সমাধানের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে কাজ শুরু করা হবে।

মৌলভীবাজার : মৌলভীবাজারের হাকালুকি ও কাউয়াদীঘি হাওরপারের কয়েক লাখ মানুষ এক মাস ধরে পানিবন্দি রয়েছেন। এদিকে হাকালুকি হাওরে বন্যার পানির একটু উন্নতি হলেও বাড়িঘর থেকে নামেনি পানি। পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে এখনো শত শত গ্রাম। দু-একটি বাড়ি থেকে পানি নেমে গেলেও ঢেউয়ের জন্য নিজের ভিটা রক্ষায় প্রাণপন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন হাওরপারের বাসিন্দারা।

অকাল বন্যায় হাওর তীরের মানুষ শতভাগ বোরো ফসল হারিয়েছে। বাড়িঘর তলিয়ে গেছে। ভয়াবহ বন্যায় জেলায় ৩৩টি ইউনিয়নে ৭২২টি গ্রামে গ্রামীণ অবকাঠামো স্কুল-কলেজ, রাস্তাঘাট ল-ভ- করে দিয়েছে। ৩৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৬ শতাধিক পরিবার অপেক্ষায় কবে পানি কমবে আর বাড়ি ফিরে যাবে। তবে প্রতিদিনকার বৃষ্টি তাদের অপেক্ষা দীর্ঘায়িত করছে।

এদিকে অনেক পরিবারের মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে পারলেও নিজেদের হাঁস-মুুরগি ও গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে রয়েছেন শত শত মানুষ। কেউ কেউ নিরুপায় হয়ে ভেসে থাকা সড়কে ও ব্রিজের ওপর গবাদিপশু রেখে সেখানে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন। গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারের পর হাকালুকি হাওরে ত্রাণ নিয়ে সরকারের পাশাপাশি দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন আওয়ামী লীগ, বিএনপি, ছাত্রলীগ, সাংবাদিক সংগঠনসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

তবে কুশিয়ারা ও জুড়ী নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ায় এ বছর দীর্ঘস্থায়ী বন্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বড়লেখা উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুন্দর।

এ ছাড়াও হাকালুকির পানি নিষ্কাশন এলাকা বুড়ি কিয়ারী বিল ভরাট হওয়ার পাশাপাশি ওই এলাকায় বেশ কিছু ইটভাটা বন্যার ব্যাপ্তি বাড়ানোর অন্যতম কারণ বলে জানালেন বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা এসএম আব্দুল্লাহ আল মামুন। এদিকে বন্যা এলাকায় ডায়রিয়াসহ দেখা দিয়েছে নানা রোগ। আর রাস্তাঘাট ভেঙে যাওয়ায় অন্ত নেই দুর্ভোগেরও।

ভুকশিমইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আজিজুর রহমান মনির জানান, এখন ভরা বর্ষাকাল। বৃষ্টিপাত আরও হবে। বন্যার পানি সাময়িক কমলেও তা আবার বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে বলে এখন খুশি হওয়ার কিছু নেই। বরং হাওরতীরের বন্যাকবলিত ইউনিয়নগুলোয় বন্ধ হওয়া ওএমএস দ্রুত চালু করলে মানুষের কিছুটা হলেও দুর্ভোগ লাঘব হবে। হাকালুকি হাওরতীরের জুড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান গুলশান আরা মিলি জানান, হাওর এলাকায় যখন শতভাগ বোরো ফসল ভাসিয়ে নিয়ে যায়, তখনই ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকাকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা করা উচিত ছিল। প্রায় ৪ মাসে পুরো এলাকার অবস্থা নাকাল। রাস্তাঘাট, অবকাঠামোসহ সবই ল-ভ- করে দিয়েছে। এ অবস্থায় ওএমএস চাল বিক্রি বন্ধ করা দুঃখজনক। স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল মতিন জানান, মন্ত্রীর কাছে ওএমএসের দাবি জানালে তিনি চালুর ব্যাপারে আশ^াস দিয়েছেন। সরকার পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রাণ দিচ্ছে।

সিলেট : সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। সিলেটের প্রধান দুই নদী সুরমা ও কুশিয়ারার পানি এখনো বিপদসীমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃষ্টিপাত কমে এলেও কোথাও কোথাও পানি বেড়েছে। পানিবৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতি আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা করছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।

পাউবোর সিলেট কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, সিলেটে বৃষ্টি না হলেও উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে।

সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার নাজমানার খানুম জানিয়েছেন, বন্যাকবলিতদের সব রকম ত্রাণ সরবরাহ করা হচ্ছে। যথেষ্ট ত্রাণ মজুদ আছে।

কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামে নদনদীর পানি কমে বিপদসীমার নিচে রয়েছে।

পাউবো সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ধরলা সেতু পয়েন্টে ২৫ দশমিক ৬৭ সেন্টমিটার, তিস্তা কাউনিয়া পয়েন্টে ২৮ দশমিক ৫৬, ব্রহ্মপুত্র নুনখাওয়া পয়েন্টে ২৬ দশমিক ০৯ ও ব্রহ্মপুত্র চিলমারী পয়েন্টে ২৩ দশমিক ৭২ সেন্টিমিটারে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যার পানি কমায় এখন প্রয়োজন বন্যাপরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। পানি কমলেও বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বন্যাকবলিত চরাঞ্চলগুলোয় ত্রাণের আশায় নৌকা দেখলে ছুটে আসছেন বন্যাদুর্গতরা। বন্যার পানিতে চরাঞ্চলের মানুষের ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট দীর্ঘ দিন তলিয়ে থাকায় দুর্ভোগ বেড়েছে। জেলার দুই শতাধিক চর ও দ্বীপচরে ত্রাণের চাহিদা রয়েছে।

জেলার সাত উপজেলার ৪২টি ইউনিয়নের পাঁচ শতাধিক গ্রামের ৩ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে খাদ্য ও বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। পাঠদান বন্ধ রয়েছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও মাদরাসাসহ ১৯৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

গতকাল সোমবার সকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এমপি কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার শাখাহাতির চরের আশ্রয়ণ প্রকল্প মাঠে বন্যাদুর্গতদের মাঝে এক হাজার পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করেন।

ত্রাণ বিতরণকালে মন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকায় সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এনজিওদের ঋণের কিস্তি আদায় কয়েক মাসের জন্য বন্ধ রাখার অনুরোধ জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমিন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামালসহ অনেকে। পরে দুপুরে মন্ত্রী উলিপুর উপজেলার বজরা ইউনিয়নে বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে