নওগাঁর পোরশায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২

  নওগাঁ প্রতিনিধি

০৭ অক্টোবর ২০১৭, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

নওগাঁর পোরশায় দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৬) গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে জড়িত অভিযোগে দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গত বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীর বাবা চারজনের বিরুদ্ধে পোরশা থানায় মামলা করেন। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন পত্মীতলা উপজেলার আকবরপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া দিঘিপাড়া গ্রামের বাবুল রশিদের ছেলে রবিউল ইসলাম (২০), একই গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে হাবিবুর রহমান (১৯), মৃত কফিল উদ্দিনের ছেলে জায়েদুল ইসলাম (৩০) ও পোরশা উপজেলার মশিদপুর ইউনিয়নের ছাতোয়া গ্রামের রেজাবুলের ছেলে মো. শিমুল (৩০)। তাদের মধ্যে রবিউল ও হাবিবুরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অপর দুজন পলাতক রয়েছেন।

পোরশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসাব্বেরুল ইসলাম জানান, শিমুল নামের এক যুবকের সঙ্গে পোরশার সোমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীর পূর্বপরিচয় ছিল। সোমনগর গ্রামের বাসিন্দা ওই ছাত্রীর বাবা ভ্যানচালক। গত বুধবার সকালে মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে শিমুল ওই ছাত্রীকে নিয়ে পতœীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভায় বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাঘুরি করেন। পরে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে রাত ১১টার দিকে ছাত্রীকে নিয়ে পতœীতলা উপজেলার দিঘিপাড়া গ্রামে যান শিমুল। রাতে ওই গ্রামের পাশে একটি গভীর নলকূপের ছাদে তিনি ও তিন সহযোগী ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। ভোরে ছাত্রীকে নিয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে পোরশা উপজেলার শিশা বাজারের দিকে যাচ্ছিল ওই চারজন। পথে পোরশা থানার টহল পুলিশ তাদের থামতে বললে জায়েদুল ও শিমুল পালিয়ে যান। তবে ওই ছাত্রী, রবিউল ও হাবিবুরকে আটক করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীর বাবা রবিউল ও হাবিবুরসহ চারজনকে অভিযুক্ত করে পোরশা থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পোরশা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার দুই তরুণকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। বৃহস্পতিবার ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। তবে পরীক্ষার রিপোর্ট এখনো পাওয়া যায়নি।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে