ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর প্রতিক্রিয়া

শিল্পের বিকাশ নিরুৎসাহিত হবে

  নিজস্ব প্রতিবেদক

০৬ জুন ২০১৭, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

চলতি অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সম্পর্কে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন দেশের ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সংগঠন। তারা আলাদা আলাদা বিবৃতিতে প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যাংকে গ্রাহকদের জমার ওপর আরোপিত বাড়তি উৎসে কর প্রত্যাহার, ভ্যাটের হার কমানো, ভ্যাট অব্যাহতির সীমা আরও বাড়ানো, শিল্পের যন্ত্রপাতির ওপর আরোপিত আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার, দেশীয় শিল্পে সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার, দেশীয় শিল্প রক্ষায় আমদানি পণ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছেন।

উৎসে কর ০.৫ ভাগ

করুন : বিকেএমইএ

বাজেটে রপ্তানি আয়ের ওপর ১ শতাংশ হারে উৎসে কর আরোপ করা হয়েছে। বর্তমানে এই কর আছে ০.৭ শতাংশ। এই কর কমিয়ে ০.৫ শতাংশ করার প্রস্তাব ও পোশাক খাতে গ্রিন ইন্ডাস্ট্রির করপোরেট কর হার সিঙ্গেল ডিজিট করার দাবি জানিয়েছে নিট পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক (বিকেএমইএ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে।

বিকেএমইএ বলেছে, এবারের বাজেটে নিট শিল্পকে উৎসাহিত করতে করপোরেট করহার ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ ও আন্তর্জাতিক সনদপ্রাপ্ত স্বীকৃত গ্রিন ইন্ডাস্ট্রিকে প্রণোদনা হিসেবে আরও ১ শতাংশ কমিয়ে ১৪ শতাংশ করপোরেট করহার নির্ধারণের প্রস্তবকে সাধুবাদ জানাই। এতে এই শিল্প উপকৃত হবে।

পোশাক শিল্পের সংকটময় প্রোপট বিবেচনায় নিয়ে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর মোট ছয়টি পর্যালোচনা দাবি জানিয়েছে বিকেএমইএ। সংগঠনটির গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি উৎপাদন প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার পাশাপাশি উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দেবে। এরই মধ্যে এগুলোর মূল্য কয়েক দফা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ পরিপ্রেেিত মূল্য আরও বাড়ানোর বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।

মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বিষয়ে বিকেএমইএ জানিয়েছে, এর একক হার ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব নিট শিল্প উদ্যোক্তাদের গভীরভাবে আশাহত করেছে। মূল্য সংযোজন করের এ উচ্চহার নিট শিল্পের উৎপাদন খরচকে অনেক গুণ বাড়িয়ে দেবে। এ অবস্থায় ভ্যাটের একক হার ১০ শতাংশে স্থির করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে বিকেএমইএ।

তৃতীয় পর্যালোচনায় বিকেএমইএ বলেছে, বর্তমান উৎসে করহার ০.৭ শতাংশ। চলতি মাস পর্যন্ত এটি কার্যকর থাকবে। আবার এসআরও জারির মাধ্যমে এ বিষয়ে নির্দেশনা না এলে অর্থ আইন ২০১৬ অনুযায়ী উৎসে করহার ১ শতাংশ বলবৎ হয়ে যাবে, যা নিট শিল্প খাতের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করবে। উৎসে করহার আগামী দুই বছরের জন্য ০.৫ ধার্য করার জন্য বলেণ তারা।

করপোরেট কর সম্পর্কে বলেন, বাজেটে করপোরেট কর ১৫ শতাংশ ধার্য করা হয়েছে। তা দেশের নিট খাতের সম্পূর্ণ ভ্যালু চেইনের ওপর ঋণাত্মক প্রভাব ফেলবে । তাই নিট শিল্প খাতের জন্য করপোরেট করহার ১০ শতাংশের বেশি না করার জন্য আবেদন রাখছি। তারা বলেছে, গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি করার পরিকল্পনায় নিয়োজিত যেসব প্রতিষ্ঠান সবুজ শিল্পে রূপান্তরিত হয়েছে, তাদের ওপর হ্রাসকৃত করপোরেট করহার প্রস্তাবিত ১৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে আগামী পাঁচ বছরের জন্য সিঙ্গেল ডিজিটে করার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

শিল্প বিকাশ নিরুৎসাহিত হবে : ইএবি

প্রস্তাবিত বাজেটে শিল্পকে উৎসাহিত করার দু-একটি পদক্ষেপ থাকলেও শিল্প বিকাশকে নিরুৎসাহিত করার পদক্ষেপ বেশি। প্রস্তাবিত করকাঠামো কার্যকর হলে রপ্তানি ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার খরচ বেড়ে যাবে। এ ছাড়া এই বাজেট বাস্তবায়নে একদিকে সম্ভাবনা যেমন আছে, বিপরীতে আছে বিরাজমান কঠিন বাস্তবতা। গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো বাজেট প্রতিক্রিয়ায় এসব মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ রপ্তানিকারক সমিতি (ইএবি)। ইএবি সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী স্বাক্ষরিতে ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাজেটে শিল্পকে উৎসাহিত করার জন্য কিছু পদক্ষেপ নেয়া হলেও শিল্পের বিকাশের পথে নিরুৎসাহিতকরণ কিছু পদক্ষেপও রয়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে তীব্র প্রতিযোগিতামূলক বাজারে রপ্তানি খাতের উৎসে কর বিষয়ে প্রস্তাবিত বাজেটে কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই। আগের ঘোষণা অনুযায়ী পহেলা জুলাই থেকে ১ শতাংশ হারে উৎসে কর আদায় করা হবে। এতে রপ্তানি শিল্প স্থবির হয়ে পড়বে। আগামী ৫ বছর পর্যন্ত এই কর হার দশমিক ২৫ শতাংশ করতে হবে। এ ছাড়া তৈরি পোশাক শিল্পের করপোরেট কর ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। এটি আরও কমিয়ে ১০ শতাংশ করতে হবে। ব্যাংক জমায় আবগারি শুল্ক, রপ্তানিমুখী শিল্পপণ্যে ভ্যাট আরোপ, কারখানার নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানিতে আরোপিত শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। এ ছাড়া পোশাক রপ্তানিতে ৫ শতাংশ হারে নগদ প্রণোদনা দাবি করা হয়েছে।

আবদুস সালাম মুর্শেদী বলেন, রপ্তানি ব্যবসা-বাণিজ্য কার্যক্রম প্রক্রিয়ার খরচ কমানোর বিষয়টি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে আদৌ উল্লেখ করা হয়নি। প্রস্তাবিত বাজেটে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং উৎসাহিতকরণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো দিকনির্দেশনা পরিলক্ষিত হয়নি।

প্লাস্টিক পণ্যে ভ্যাট প্রত্যাহার করুন : বিপিজিএমইএ

দেশে উৎপাদিত প্লাস্টিকের তৈজসপত্রের ওপর থেকে আরোপিত ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর বা মূসক প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিপিজিএমইএ)। একই সঙ্গে তারা প্লাস্টিক পণ্যের কাঁচামাল আমদানির ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করায় সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

বিপিজিএমইএর সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্লাষ্টিক খাত বেশ সম্ভাবনায়। এই খাতে কর্মসংস্থান বাড়ার পাশাপাশি রপ্তানিতেও ভূমিকা রাখছে। প্লাস্টিকের ব্যবহারও বাড়ছে। এখন প্লাস্টিক দিয়ে প্রায় সব ধরনের ব্যবহার্য্য পণ্য তৈরি হচ্ছে।

এতে বলা হয়, দেশীয় শিল্পের সুরায় আমদানি পণ্যে সম্পূরক শুল্ক বহাল রাখা সরকারের বাস্তবমুখী পদক্ষেপ। এটি দেশীয় শিল্পকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল মোল্ড দেশে উৎপাদনের েেত্র কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক ছাড় সুবিধা দেওয়ায় প্লাস্টিক খাতের দীর্ঘদিনের একটি দাবি পূরণ হলো। খেলনার ওপর ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য বা ট্যারিফ ভ্যালু আগের মতো বহাল রাখায় দেশীয় শিল্পের সুরা বাড়বে বলেও মনে করেন বিপিজিএমইএর সভাপতি।

দেশীয় শিল্পের স্বার্থরক্ষায় বিপিজিএমইএর প থেকে তিনটি দাবি জানানো হয়। এগুলো হলো লেনদেনের ওপর ভ্যাট বা টার্নওভারের েেত্র সীমা দেড় কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে পাঁচ কোটি টাকা নির্ধারণ ও ভ্যাটের হার ৪ শতাংশের পরিবর্তে ৩ শতাংশ করা, উপকরণ রেয়াত না নেওয়া গেলে ৪ শতাংশ ভ্যাট ধরা এবং ব্যাংকে এক লাখ টাকার বেশি লেনদেনের ওপর আরোপিত ৮০০ টাকার আবগারি শুল্ক প্রত্যাহার করা।

তারা বলেছে, ব্যাংকে আফগারি শুল্ক বাড়ানোর ফলে আমানতকারীরা ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

বর্ধিত কর কমাতে

হবে : চট্টগ্রাম চেম্বার

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি বাজেটে করমুক্ত আয় সীমা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। এটা ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা উচিত। কেননা ইতোমধ্যে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে। ফলে টাকার ক্ষয় হয়েছে। এই কারণে করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো উচিত। চেম্বােেরর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।

সংগঠনটি বলছে, যে কোনো কোম্পানি বা ৫০ লাখ টাকার অধিক গ্রস প্রাপ্তি আছেÑ এমন প্রতিষ্ঠানের ন্যূনতম করহার দশমিক ৩ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে দশমিক ৬ শতাংশ করা হয়েছে এবং সারচার্জের হার বাড়ানো হয়েছে। এই হারগুলো পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।

এতে আরও বলা হয়, পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে মূসকের হার ২.২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪.৫ শতাংশ করা হয়েছে। অন্যান্য পরিবহনের ক্ষেত্রে ৭.৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। এতে পরিবহন খরচ বাড়বে। ফলে পণ্যমূল্য বেড়ে যাবে। নির্মাণ শিল্প খাতে অনেক উপকরণের শুল্ক হ্রাস করে ১৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা এ শিল্পে অচলাবস্থা দূর করে গতি আনবে। একই সঙ্গে তারা ব্যাংকের গ্রাহকদের জমার ওপর বাড়তি আবগারি কর আরোপের বিষয়টি প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছে। তা না হলে গ্রাহকরা ব্যাংকের বাইরে লেনদেনে বেশি উৎসাহিত হবে।

ব্যাংক গ্রাহকদের ওপর আবগারি শুল্ক তুলে

নিন : বিসিআই

বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) গ্রাহকদের ব্যাংক হিসাবে ১ লাখ টাকার বেশি থাকলে তার ওপর আবগারি শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে এক বিবৃতিতে তারা এই দাবি জানিয়েছে। তারা বলেছে, ব্যাংকে রতি ১ লাখ টাকার ঊর্ধ্বে আবগারি শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে গ্রাহকরা অর্থ লেনদেনের েেত্র ব্যাংক পরিহার করতে উৎসাহিত হবেন। এদের ব্যাংকিং চ্যানেলে ধরে রাখতে হলে এই কর তুলে নিতে হবে। অন্যথায় ব্যাংকবহির্ভূত লেনদেন বেড়ে যাবে। ব্যক্তি করমুক্ত আয়সীমা আড়াই লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ৩ লাখ করার প্রস্তাব করেছেন তারা। বিসিআই বলছে, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এটি ২০ শতাংশের বেশি বাড়ানো উচিত নয়।

ভ্যাট অব্যাহতির তালিকা বাড়ানো উচিত : চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার প্রস্তাবিত বাজেটকে গণউন্নয়নমুখী বাজেট হিসেবে অভিহিত করেছে। চেম্বারের সভাপতি খলিলুর রহমান তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, বাজেটে ভ্যাট অব্যাহতির তালিকায় আরও কিছুসংখ্যক অত্যাবশ্যকীয় পণ্য যুক্ত করা উচিত। বাজেট প্রস্তাবনা অনুযায়ী বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি শতভাগ বাস্তবায়ন করা গেলে দেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে উঠবে। এতে প্রচুর বৈদেশিক বিনিয়োগ আসবে, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে, যা মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেছেন, বাজেটে দেশীয় শিল্পের স্বার্থ রক্ষায় নানামুখী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এটি ইতিবাচক। আবার শিল্পের যন্ত্রপাতি আমদানির ওপর শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। এটি দেশীয় শিল্পের বিকাশকে বাধাগ্রস্ত’ করবে। বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।

তরুণ উদ্যোক্তাদের

জন্য বরাদ্দ রাখা

উচিত : জুনিয়র চেম্বার

প্রস্তাবিত বাজেট সম্পর্কে জুনিয়র চেম্বারের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন বলেন, এ বাজেট শিল্পবান্ধব ও শিাবান্ধব। এটি বাস্তবায়ন করা গেলে ভিশন-২০২১ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। ভ্যাট আইনে ওষুধ, শিা, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন পণ্য ও সেবায় ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি ইতিবাচক। তবে বাজেটে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখা প্রয়োজন ছিল বলে মনে করেন তিনি, যেটি বাজেটে রাখা হয়নি। আগামী প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যাংকে গ্রাহকদের ১ লাখ টাকার বেশি জমার ওপর আবগারি শুল্ক ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০০ টাকা করা হয়েছে। এতে ক্ষুদ্র আমানতকারীরা তিগ্রস্ত হবেন। ফলে অর্থ লেনদেনে ব্যাংকবিমুখ হতে পারেন গ্রাহকরা।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে