সব আসনেই বিএনপির একাধিক প্রার্থী

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১৩ আগস্ট ২০১৭, ০০:০০ | আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০১৭, ১৩:৫৯ | অনলাইন সংস্করণ

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা মহানগরীর ১৫টি আসনের প্রতিটিতে বিএনপির একাধিক প্রার্থী রয়েছেন। এর মধ্যে অন্তত ১২টি আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। দলের নীতিনির্ধারণী সূত্র জানায়, মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোর প্রার্থী চূড়ান্ত করতে এবার দলকে হিমশিম খেতে হবে। কারণ পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এবার অনেক নতুন যোগ্য প্রার্থী রয়েছেন। প্রতিবেদন তৈরি করেছেন নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা-৪ (শ্যামপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুল হাই ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর আহমেদ রবিন।

ঢাকা-৫ (ডেমরা-যাত্রাবাড়ী) আসনে সাবেক এমপি সালাউদ্দিন আহমেদ, শিক্ষক নেতা সেলিম ভূঁইয়া প্রার্থী হতে চান। তবে সালাউদ্দিন আহমেদ নিশ্চিতভাবে মনোনয়ন পাবেন।

ঢাকা-৬ (সূত্রাপুর-কোতোয়ালি) আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা, তার ছেলে ইশরাক হোসেন ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, একই কমিটির সহ-সভাপতি নবী উল্লাহ নবী মনোনয়ন চান।

ঢাকা-৭ (লালবাগ-চকবাজার) আসনে বিএনপির প্রয়াত নেতা নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুর স্ত্রী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি নাসিমা আক্তার কল্পনা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি মোশারফ হোসেন খোকন ও সাবেক কাউন্সিলর মীর আশরাফ আলী আজম লবিং করছেন।

ঢাকা-৮ (মতিঝিল) আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল মনোনয়ন চান।

ঢাকা-৯ (মুগদা-সবুজবাগ) মনোনয়ন দৌড়ে আছেন বিএনপির স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, মহিলা দল সভাপতি আফরোজা আব্বাস, ঢাকা মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রশীদ হাবিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সিনিয়র সহ-সভাপতি শামসুল হুদা।

ঢাকা-১০ (ধানম-ি)-এ বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল লতিফ।

ঢাকা-১১ (বাড্ডা-ভাটারা) আসনে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি সভাপতি এমএ কাইয়ূম ও তার স্ত্রী শামীম আরা বেগম।

ঢাকা-১২ (তেজগাঁও) আসনে বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক আলী ফালু, মহানগর উত্তর বিএনপির সহ-সভাপতি মো. সাহাব উদ্দিন ও যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার। এ ছাড়া দলের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু আগ্রহী হলে তাকে এ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নীরবও এই এলাকা থেকে নির্বাচন করতে চান।

ঢাকা-১৩ (মোহাম্মদপুর-আদাবর) আসনে বিএনপি চেয়াপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, নগর উত্তর বিএনপির সহ-সভাপতি আতিকুল ইসলাম মতিন, সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডভোকেট খন্দকার জিল্লুর রহমান।

ঢাকা-১৪ (মিরপুর-শাহআলী) আসনের সাবেক এমপি ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য এসএ খালেক, তার ছেলে সৈয়দ মুহাম্মদ মহসীন ও এসএ সিদ্দিক সাজু, মহানগর উত্তর বিএনপির সহ-সভাপতি মুন্সী বজলুল বাসিত আনজু, সহ-সভাপতি রবিউল আউয়াল, মহানগর উত্তরের যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর শামীম পারভেজ।

ঢাকা-১৫ (কাফরুল) আসনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ, যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান, ক্যান্টনমেন্ট থানা বিএনপি নেতা প্রিন্সিপাল লিয়াকত আলী।

ঢাকা-১৬ (পল্লবী) আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসান।

ঢাকা-১৭ (গুলশান-ক্যান্টনমেন্ট) আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী, মহানগর উত্তর বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল আলীম নকী।

ঢাকা-১৮ (উত্তরা) আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রী মেজর (অব.) কামরুল ইসলাম, দলের তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদল সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন আমাদের সময়কে বলেন, বিএনপির মতো বড় দলে যোগ্য প্রার্থীর অভাব নেই। তবে চাইলেই যে মনোনয়ন পাবেন, তা ঠিক নয়। অনেকে মনোনয়ন চাইবেন। যাচাই-বাছাই করে যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হবে।

বিএনপির পার্লামেন্টারি বোর্ডের এই সদস্য বলেন, ঢাকা মহানগরে অনেক প্রার্থীর মধ্যে যোগ্য প্রার্থী চূড়ান্ত করা কঠিন। কারণ যারা মনোনয়ন চান, সবাই যোগ্য। অনেকের মধ্য থেকে একজনকে প্রার্থী করা সত্যিই চ্যালেঞ্জিং।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে