৬০ বছর পর নেই ইতালি

  ক্রীড়া ডেস্ক

১৫ নভেম্বর ২০১৭, ০০:০০ | আপডেট : ১৫ নভেম্বর ২০১৭, ০০:২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ

সুইডেনের সঙ্গে বাছাইপর্বের প্লে-অফের ফিরতি লেগের ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হওয়ায় ৬০ বছর পর বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ হাতছাড়া করল ইতালি। শঙ্কাটা তৈরি হয়েছিল আগেই। প্লে-অফের প্রথম লেগে সুইডেনের মাঠে ১-০ গোলে হেরেছিল ইতালি। রাশিয়া বিশ্বকাপের টিকিট পেতে ফিরতি লেগে অন্তত দুই গোলের ব্যবধানে জিততে হতো তাদের। কিন্তু ঘরের মাঠ সান সিরোতে গোলশূন্য ড্রয়ে তাদের রুখে দেয় সুইডেন। আর তাতেই চেনা দর্শকদের সামনে চোখের জলে বিদায় নিতে হয়েছে বুফন-বুনচ্চিদের।

১৯৩০ সালে উরুগুয়ের প্রথম বিশ্বকাপে খেলেনি ইতালি। এর পর থেকে প্রতিটি বিশ্বকাপেরই অংশ হয়ে ছিল তারা। মাঝে খেলেনি কেবল ১৯৫৮ বিশ্বকাপেই। ১৯৫৮ সালের পর ১৩টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইতালি খেলেছে প্রতিবারই। দুবার বিশ্বকাপ জিতেছে, দুবার ফাইনালে খেলেছে। একবারের আয়োজক। এর আগেও দুবারের চ্যাম্পিয়ন তারা (১৯৩৪, ১৯৩৮)। এমন একটি দলের বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বড় এক ধাক্কাই। অন্যদিকে ২০০৬ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে খেলবে সুইডেন।

পুরো ম্যাচে ভালো খেললেও গোলের দেখা পায়নি ইতালি। সুইডেন খেলেছে কৌশলী ফুটবল। ম্যাচের শুরু থেকেই স্বাগতিকরা সুইডিশদের ওপর চেপে বসে। অ্যান্টোনিও কানড্রেভার পরে আলেসান্দ্রো ফ্লোরেনজি ও সিরো ইমোবিলের শট সুইডিশ গোলরক্ষক রবিন ওলসেন রুখে দেন। অন্যদিকে মার্কো ভেরাত্তি নিষিদ্ধ, সিমোনে জাজা ও লিওনার্দো স্পিনাজোলা উভয়ই রয়েছেন ইনজুরিতে। ড্যানিয়েল ডি রোসি ও আন্দ্রে বেলোত্তি পুরোপুরি ফিট ছিলেন না। সে কারণে কোচ গিয়ান পিয়েরো ভেনচুরা বাধ্য হয়েই ব্রাজিলিয়ান বংশোদ্ভূত জরগিনহোকে প্রথমবারের মতো মূল একাদশে সুযোগ দিয়েছিলেন। এ ছাড়া ফ্লোরেনজি ও মানোলো গাব্বিয়াদিনি ফের মূল দলে ফিরেছেন। নাপোলির ইন-ফর্ম উইঙ্গার লোরেনজে ইনসিগনেকে আরও একবার বদলি বেঞ্চে বসেই প্রথমার্ধের ম্যাচ উপভোগ করতে হয়েছে। তবে কোনো কিছুতেই গোলের দেখা মেলেনি ইতালির।

ইতালির ফুটবল ইতিহাসে এত বড় একটা ব্যর্থতার পরে কোচ ভেনচুরা সবার কাছে ক্ষমাই চেয়েছেন, ‘আমি ফলের জন্য ক্ষমা চাইছি। আমরা কিন্তু খুব বাজে ফুটবল খেলিনি। আমরা চেষ্টা করেছি; কিন্তু সফল হইনি।’ তবে বিশ্বকাপে তার দল থাকবে নাÑ এটা মেনে নিতে পারছেন না ইতালির কোচ। খেলার দৃষ্টিকোণ থেকে এটা খুবই বাজে ফল। মেনে নেওয়ার মতো নয়। আমি হতাশ ও দুঃখিত। তবে আমি মিলানের সানসিরোর দর্শকদের শেষ পর্যন্ত আমাদের সমর্থন দিয়ে যাওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই।’

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে