advertisement
Dr Shantu Kumar Ghosh
advertisement
Dr Shantu Kumar Ghosh
advertisement
advertisement

রোজা তাই ফলের দাম বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
৮ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১১ মে ২০১৯ ১৪:১১

মাত্র একদিনের ব্যবধানেই সব ধরনের ফলের দাম ২০ ধেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্রেতারা অনেকটাই বাধ্য হয়েই বাড়তি দামে কিনছে ফল। আন্তর্জাতিক বাজারে কম মূল্য থাকা সত্ত্বেও দেশীয় বাজারে সরবারহ কম থাকার অজুহাতে দাম বৃদ্ধি করেছে তারা। পাইকারিদের মতে, রোজা তাই দামও বেশি।

ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ খেজুরের দামও বিভিন্ন দরে বৃদ্ধি পেয়েছে। একদিন আগে দাবাস খেজুরের দাম ২২০ টাকা কেজি থাকলেও গতকাল তা ২৫০ টাকায় বিক্রি হয়, যা আন্তর্জাতিক বাজারে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ২৪০ টাকার ক্রাউন দাবাস বিক্রি হচ্ছে ২৭০ টাকায়। এ ছাড়া ২০০ টাকার নাগাল খেজুরের দাম ২১০ টাকা ও ৭৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া মরিয়ম খেজুরের দাম ৮৫০ টাকা হয়েছে। বাবুবাজারের খেজুরের পাইকার সাউথ এন্টারপ্রাইজের পরিচালক এসএম ইব্রাহীম বলেন, রমজানে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় ‘দাবাস’ প্রজাতির খেজুর।

মাত্র দুদিনের ব্যবধানে এই দাবাস খেজুরের দাম বেড়ে গেছে প্রতিকার্টনে (১০ কেজি) ৫০ টাকা এবং কেজিতে ৫ টাকা। এ দাম আরও বাড়বে। তিনি আরও বলেন, এ বছর ইজতেমার পর থেকে ‘জাহিদি চিপস’ খেজুরের আমদানি নেই বললেই চলে। তাই জাহিদি চিপসের দাম বেড়েছে সবচেয়ে বেশি, প্রতি কার্টনে (৫ কেজি) বেড়েছে ২০০ টাকা এবং প্রতিকেজিতে ২০ টাকা। রাজধানীর ফলের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চলতি কয়েক দিনের ব্যবধানে সবচেয়ে বেশি দাম তরমুজ, বাঙি, বেল, মাল্টা, আপেল, আনারস, আনার, আঙুর ইত্যাদির। সবচেয়ে দাম বেড়েছে তরমুজ, মাল্টা, বেল, আঙুরের।

একদিন আগেও বৃহৎ তরমুজের দাম ছিল মাত্র ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। তা এখন প্রায় দ্বিগুণ দামে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে বেলের দামও ২০ থেকে ২৫ টাকা বেড়ে গেছে রমজান আসতে না আসতেই। খুচরা বাজারের প্রতিপিস বড় আকারের বেলি বেল বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকায়। তিন দিনের ব্যবধানে মাল্টার দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। ২০ থেকে ২৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে আনার। আঙুরের দামও কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৫০ টাকায়। গতকাল যা ছিল ২০ থেকে ২২০ টাকা কেজি। এ ছাড়া বিভিন্ন আকারের আনারসের দাম প্রতিপিসে গড়ে ৪ টাকা বেড়েছে।

অন্যদিকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হওয়া অ পেল ১৮০ টাকা ও ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হওয়া আপেল ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া গোল্ডেন আপেল ১৮০ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আপেলের পাইকারি বাজারে প্রতিকেজিতে গড়ে ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়েছে বলে জানান বাবুবাজারের আপেলের পাইকার মেসার্স হারিস এন্টারপ্রাইজের মো. জুদান আহমেদ।