advertisement
Dr Shantu Kumar Ghosh
advertisement
Dr Shantu Kumar Ghosh
advertisement
advertisement

প্রথম ৯ মাসে রাজস্ব আহরণে প্রবৃদ্ধি মাত্র সাড়ে ৬ শতাংশ

আবু আলী
১৬ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৬ মে ২০১৯ ০০:০৮
বিশাল অঙ্কের রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি পিছিয়ে রয়েছে। আলোচ্য সময়ে রাজস্ব আহরণের প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫১ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল ১৩ দশমিক ১৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের ৯ মাসে দুই লাখ ৩ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আহরণ হয় এক লাখ ৫২ হাজার ৫৬৬ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের এ সময়ে আয় হয় এক লাখ ৪৩ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা। সূত্র জানায়, এনবিআরের তিনটি উইং আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (মূসক), শুল্ক তিনটি খাতেই নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত শুল্ক বা কাস্টমসে এনবিআরের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬২ হাজার ৮২ কোটি টাকা। আর এই সময়ে শুল্ক আদায় হয়েছে ৪৬ হাজার ৯৩০ কোটি টাকা। অর্থাৎ গত ৯ মাসে শুল্ক খাতে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ১৫২ কোটি টাকা। সূত্র আরও জানায়, মূল্য সংযোজন কর (মূসক) খাতে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৮ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা; আর মূসক আদায় হয়েছে ৬০ হাজার কোটি ১১৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে মূসক বা ভ্যাটে এনবিআরের রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। আর ইনকাম ট্যাক্স বা আয়কর খাতে ৯ মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬৩ হাজার ৬৩ কোটি টাকা; আর আদায় হয়েছে ৪৬ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা। অর্থাৎ ৯ মাসে আয়করে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৬৯২ কোটি টাকা। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা বাড়লেও রাজস্ব আদায় ওই হারে বাড়েনি। ফলে বাড়ছে রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ। এ ছাড়া কর রেয়াতের বিষয়ে আরও বেশি বাচবিচার করা উচিত। যেসব ক্ষেত্রে কর অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে তাদের এই অব্যাহতি ভালোভাবে খতিয়ে দেখা উচিত। দিন দিন অর্থনীতির আকারের মতো সরকারের সাইজ বাড়ছে। যার কারণে তাদের রাজস্ব আয়ও বাড়ানো উচিত। সব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকারের রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা উচিত বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।