advertisement
Dr Shantu Kumar Ghosh
advertisement
Dr Shantu Kumar Ghosh
advertisement
advertisement

জয়েন্টভেঞ্চার গঠনে ইভিপিএল ও ইএমএ পাওয়ারের চুক্তি

১৬ মে ২০১৯ ০১:২৯
আপডেট: ১৬ মে ২০১৯ ০৯:১৬

এনার্জিপ্যাকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এনার্জিপ্যাক পাওয়ার ভেঞ্চার লিমিটেড (ইভিপিএল) ও ইএমএ পাওয়ার ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের মধ্যে সম্প্রতি এক জয়েন্টভেঞ্চার চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। ফলে দেশের বিদ্যুৎ খাতে আসতে যাচ্ছে ১ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলারের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ।

এনার্জিপ্যাক থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এই চুক্তির ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ ও পরিচালনার ক্ষেত্রে এনার্জিপ্যাকের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিনিয়োগ হিসেবে পাওয়া এই অর্থ বিভিন্ন প্রকল্প নির্মাণ ও পরিচালনায় ব্যয় করা হবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক ইএমএ পাওয়ার ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড মূলত দক্ষিণ কোরিয়ার জায়ান্ট ডাইলিম এনার্জি এবং এএসএমএ ক্যাপিটাল পরিচালিত ‘আইডিবি ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফান্ড টু’-এর একটি যৌথ উদ্যোগ। ইএমএ পাওয়ার বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।

সদ্য প্রতিষ্ঠিত এই জয়েন্টভেঞ্চারের অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ে এনার্জিপ্যাকের নির্মিতব্য ১১৫ মেগাওয়াট এইচএফও-ফায়ার্ড বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে ইএমএ পাওয়ারের সহায়তায় ১ কোটি ৬০ লাখ ডলার বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রকল্পটির ৪৯ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণ করতে যাচ্ছে ডাইলিম এনার্জি। প্রকল্পটির সফল বাস্তবায়ন উত্তরবঙ্গের সমৃদ্ধি অর্জনে কাজ করবে।

এই সমঝোতা সম্পর্কে ইভিপিএলের চেয়ারম্যান হুমায়ুন রশীদ বলেন, যে কোনো অর্থনীতির অগ্রযাত্রার মূল শর্ত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ। একই সঙ্গে অর্থনীতির দ্রুত অগ্রযাত্রার পাশাপাশি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আরও বেশি করে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সক্ষমতা অর্জনে এই চুক্তি স্বাক্ষর করতে পেরে আমরা আনন্দিত।

ডাইলিম এনার্জি এবং ডাইলিম ইন্ডাস্ট্রিয়াল করপোরেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ও সিইও সাঙ্গু (শন) কিম, ইভিপিএলের চেয়ারম্যান হুমায়ুন রশিদ এবং ইপিভি ঠাকুরগাঁও লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রেজওয়ানুল কবীর নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ডাইলিম এনার্জি, এএসএমএ ক্যাপিটাল, ইপিভিএল এবং ইপিজিএলের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।