advertisement
Dr Shantu Kumar Ghosh
advertisement
Dr Shantu Kumar Ghosh
advertisement
advertisement

জামিন নামঞ্জুর, দুই ইউপি চেয়ারম্যান জেলহাজতে

রাঙামাটি প্রতিনিধি
১৭ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ মে ২০১৯ ০৯:৩০

উচ্চ আদালত থেকে দুই সপ্তাহের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিয়েছিলেন কাপ্তাইয়ে আলোচিত ব্রাশফায়ারে জোড়া খুনের মামলার এজাহারভুক্ত আসামি রাইখালী ইউপি চেয়ারম্যান সায়মং মারমা ও চিৎমরম ইউপি চেয়ারম্যান খ্যাইসা অং মারমা। কিন্তু সময় শেষ হলেও শর্তভঙ্গ করে নিম্ন আদালতে হাজির হননি।

গত বুধবার রাঙামাটি চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন ছুটিতে। তার দায়িত্ব পালন করছিলেন অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাবরিনা আলী। তার আদালতে জামিন চান দু’জন। বিচারক তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। হাইকোর্ট বিভাগে ক্রিমিনাল মিসকেস (১৮১৫৯/১৯) করে গত ১২ মার্চ দুই ইউপি চেয়ারম্যান এই জামিন পান।

সে হিসেবে ২৬ মার্চ এই জামিনের মেয়াদ শেষ হয়। এর পর থেকেই তারা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে যান। বুধবার আত্মসমর্পণ করে জামিনের জন্য আদালতে হাজির হন। গত ৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল চারটার দিকে কাপ্তাইয়ের রাইখালী কারিগরপাড়ায় (ভাল্লুক্যা মুখ) একদল অস্ত্রধারী ব্রাশফায়ার করে মংসিনু মারমা ও মো. জাহিদ হোসেনকে হত্যা করে।

আওয়ামী লীগ ও গণতান্ত্রিক ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট ইউপিডিএফ নিহত দু’জনকেই নিজেদের কর্মী বলে দাবি করে। হত্যাকা-ের জন্য পাহাড়ের আঞ্চলিক দল সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতিকে (জেএসএস) দায়ী করে আসছে। হত্যাকাণ্ডের একদিন পর ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে নিহত মংসিনু মারমার শ্বশুর আপ্রু মারমা চন্দ্রঘোনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলায় ২১ জনের নাম উল্লেখ করেন এবং ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। চন্দ্রঘোনা থানার ওসি আশরাফ উদ্দিন বলেন, ওই জোড়া খুনের মামলায় যৌথবাহিনীর অভিযানে এর আগে ১০ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে গ্রেপ্তার আসামির সংখ্যা ১২।