advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

চমেকে লিফট দুর্ঘটনার শিকার খসরুসহ বিএনপি নেতারা

চট্টগ্রাম ব্যুরো
১৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:৫৪
advertisement

পাহাড়তলীতে বিস্ফোরণে আহতদের দেখতে গিয়ে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে লিফটে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ দলের কয়েক নেতা। বিএনপি নেতাদের দাবি, তাদের নিয়ে পুরনো ভাঙাচোরা লিফটটি চেন ছিঁড়ে বিকট শব্দে দোতলার কাছাকাছি থেকে নিচতলায় গিয়ে পড়ে। যদিও পরে অক্ষতভাবে লিফট থেকে নেতাদের বের করে নিয়ে আসা হয়। গতকাল দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

আমীর খসরুর ব্যক্তিগত সহকারী মোহাম্মদ সেলিম জানান, হাসপাতালের পাঁচতলায় আহতদের দেখে নিচে নামার সময় দুর্ঘটনার শিকার হন। এ সময় আমীর খসরুর সঙ্গে ছিলেন নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, সহসভাপতি এমএ আজিজ, যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল আলম, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, ডা. খুরশিদ জামিল এবং রাশেদ খান।

একপর্যায়ে লিফটি তার ছিঁড়ে বিকট শব্দে নিচে পড়ে যায়। পরে দরজায় আঘাতের শব্দ শুনে একজন লিফটম্যানকে খুঁজে আনি। তিনি লাঠি দিয়ে দরজা ফাঁক করে ধরলে নেতারা সবাই একে একে উঠে আসেন। প্রথমে ভেবেছিলাম, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় এ অবস্থা হয়েছে। কিন্তু লিফটম্যান জানিয়েছেন, বিদ্যুতের সমস্যা হয়নি বরং চেনের সমস্যাতেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে এমএ আজিজ বলেন, আহতদের দেখে পাঁচতলা থেকে নিচে নামার সময় দোতলার কাছাকাছি এসে লিফটটি চেন ছিঁড়ে নিচে পড়ে যায়। এতে আমীর খসরু সামান্য আহত হন। তবে আমরা বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছি।

ডা. খুরশিদ জামিল বলেন, লিফটি পড়ে গেলে আমরা গ্রাউন্ড লেভেল থেকে কয়েক হাত নিচে নেমে যাই। পরে আমাদের টেনে তোলা হয়।

যদিও বিএনপি নেতারা যেমন বলছেন পুরো বিষয়টি তেমন নয় বলে দাবি করেছেন চমেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আখতারুল ইসলাম। তিনি বলেন, প্রতিদিন শত শত লোক এসব লিফট ব্যবহার করেন। এ রকম কোনো ঘটনা ঘটে না। ওনারা যা বলছেন, সে রকম কিছু হয়নি। লিফট ছিঁড়ে পড়ার কোনো ঘটনাই ঘটেনি।

একই দাবি চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম ভূঁঁইয়ারও। তিনি বলেন, লিফটের তার ছেঁড়ার মতো কিছু হয়নি। লিফটে মানুষ বেশি থাকায় সেটি ঝাঁকি দিয়ে নিচে নেমে যায়।

advertisement